‘আত্মগোপনে ছিলাম—এ কথা সত্য নয়’, ট্রাইব্যুনালে জেরায় মীর আহমাদ বিন কাসেম

প্রথম পাতা » আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল » ‘আত্মগোপনে ছিলাম—এ কথা সত্য নয়’, ট্রাইব্যুনালে জেরায় মীর আহমাদ বিন কাসেম
সোমবার, ৯ মার্চ ২০২৬



‘আত্মগোপনে ছিলাম—এ কথা সত্য নয়’, ট্রাইব্যুনালে জেরায় মীর আহমাদ বিন কাসেম

আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে আসামিপক্ষের আইনজীবীর জেরায় সংসদ সদস্য মীর আহমাদ বিন কাসেম (আরমান) বলেছেন, ‘আমি আত্মগোপনে ছিলাম—এ কথা সত্য নয়।’ তিনি আরও বলেন, ‘কোনো আইন প্রয়োগকারী সংস্থা আমাকে গুম করেনি—এ কথাও সত্য নয়।’

ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে র‍্যাবের টাস্কফোর্স ফর ইন্টারোগেশন (টিএফআই) সেলে গুম করে রাখার ঘটনায় করা মানবতাবিরোধী অপরাধের একটি মামলায় তাকে জেরা করা হয়।

রোববার (৮ মার্চ) আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল–১–এ আসামিপক্ষের আইনজীবী আমিনুল গনি তাকে জেরা করেন। মামলায় বর্তমান ও সাবেক ১২ জন সেনা কর্মকর্তাসহ মোট ১৭ জন আসামি রয়েছেন।

এই মামলার প্রথম সাক্ষী হিসেবে গত ২১ জানুয়ারি মাসে জবানবন্দি দেন মীর আহমাদ বিন কাসেম। এরপর ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনসহ অন্যান্য ব্যস্ততার কারণে তিনি ট্রাইব্যুনালে আসতে পারেননি। ফলে এত দিন পর রোববার তাকে প্রথম দিনের মতো জেরা করা হয়। আগামী মঙ্গলবার তাকে দ্বিতীয় দিনের মতো জেরার দিন ধার্য করা হয়েছে।

জামায়াতে ইসলামীর মনোনয়ন নিয়ে মীর আহমাদ বিন কাসেম সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন। তার বাবা মীর কাসেম আলী জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য ছিলেন। একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধের দায়ে ২০১৬ সালের সেপ্টেম্বর মাসে তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হয়।

টিএফআই সেলে গুম করে রাখার ঘটনায় করা এই মামলার ১৭ আসামির মধ্যে ১০ জন ঢাকা সেনানিবাসের সাবজেলে আছেন। সাবজেলে থাকা আসামিরা হলেন—ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জাহাঙ্গীর আলম, তোফায়েল মোস্তফা সারোয়ার, মো. কামরুল হাসান, মো. মাহাবুব আলম ও কে এম আজাদ, কর্নেল আবদুল্লাহ আল মোমেন ও আনোয়ার লতিফ খান (অবসর প্রস্তুতিমূলক ছুটিতে), লে. কর্নেল মো. মশিউর রহমান, সাইফুল ইসলাম ও মো. সারওয়ার বিন কাশেম। রোববার তাদের ট্রাইব্যুনালে হাজির করা হয়।

এ মামলার অপর সাত আসামি পলাতক। তারা হলেন ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তার তৎকালীন প্রতিরক্ষাবিষয়ক উপদেষ্টা তারিক আহমেদ সিদ্দিক, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান, র‍্যাবের সাবেক মহাপরিচালক বেনজীর আহমেদ (পরে আইজিপি হন), এম খুরশীদ হোসেন ও মো. হারুন অর রশিদ এবং লে. কর্নেল (অব.) মুহাম্মাদ খায়রুল ইসলাম।

বাংলাদেশ সময়: ২৩:৫৮:২৮   ১৬৩ বার পঠিত  




আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল’র আরও খবর


নানক-তাপসসহ ২৮ জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ ১২ অক্টোবর পর্যন্ত পিছিয়েছে
শাপলা চত্বর হত্যা মামলার অভিযোগ গঠনের শুনানি ১ নভেম্বর
মাহবুবউল আলম হানিফসহ চারজনের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী মামলার রায় যে কোনো দিন
পিলখানা হত্যাকাণ্ডের তথ্য জানতেন বলেই ‘জঙ্গি’ সাজিয়ে হত্যা
আদালতকে বলতে চাইলাম ফাঁসি দিয়ে দেন, প্রস্তুত আছি: লতিফ সিদ্দিকী
পরিবার ও আইনজীবীদের সঙ্গে সাক্ষাতের অনুমতি চাইলেন পলক
সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন-হামিদের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ
কাউন্সিলর একরামুল হত্যা: শেখ হাসিনা-বেনজীরসহ ৮ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা
শাপলা চত্বর মানবতাবিরোধী অপরাধ মামলার ফরমাল চার্জ দাখিল সোমবার
‘আয়নাঘর’ পরিদর্শনে যাবেন ট্রাইব্যুনালের তিন বিচারক

Law News24.com News Archive

আর্কাইভ