
পটুয়াখালীর বাউফলে ফোনে ডেকে নিয়ে মীর হোসেন গাজী (৪৩) নামের এক লঞ্চ মালিককে পেটানোর অভিযোগ উঠেছে। শনিবার (১৬ আগস্ট) বিকেলে কালাইয়া ইউনিয়নের শহিদুল মেম্বারের মাছের গদিতে এ ঘটনা ঘটে।
এতে ভুক্তভোগীর মাথায় গুরুতর আঘাত পান। স্থানীয়ভাবে প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কালাইয়া থেকে ভোলার নাজিরপুর লঞ্চঘাটে চলাচল করা এম এল সুপ্তি-১ নামক লঞ্চের যৌথ মালিক ছিলেন মীর হোসেন গাজী ও একই এলাকার মীর হোসাইন জোমাদ্দার। প্রায় দুই বছর আগে সালিশ বৈঠকের মাধ্যমে জোমাদ্দার তার অংশ ছেড়ে দেন এবং গাজী একক মালিকানা পান।
ভুক্তভোগী মীর হোসেন গাজীর অভিযোগ, শনিবার বিকেলে ফোন করে তাকে শহিদুল মেম্বারের মাছের গদিতে ডাকা হয়। সেখানে দুই বছর আগের সালিশের দায়িত্বপ্রাপ্ত কয়েকজন প্রভাবশালী ব্যক্তি নতুন করে দেড় লাখ টাকা দাবি করেন। টাকা দিতে অস্বীকৃতি জানালে উপস্থিত চার-পাঁচজন মিলে তার ওপর অতর্কিত হামলা চালান। হামলার সময় তার সাবেক পার্টনার মীর হোসাইন জোমাদ্দারও সেখানে উপস্থিত ছিলেন।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে মীর হোসাইন জোমাদ্দার বলেন, তার সঙ্গে আমার লেনদেন অনেক আগেই শেষ হয়েছে। হামলার ঘটনাটি সম্পর্কে আমি কিছুই জানি না।
বাউফল থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আতিকুল ইসলাম জানান, এ ঘটনায় থানায় একটি এজাহার দাখিল করা হয়েছে। এ সময়, তদন্ত শেষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান তিনি।
বাংলাদেশ সময়: ১০:১৩:২৯ ৪৬ বার পঠিত