
আগামী মাসে লন্ডনে অনুষ্ঠিতব্য অস্ত্র প্রদর্শনী থেকে ইসরাইলি কর্মকর্তাদের নিষিদ্ধ করেছে বৃটিশ সরকার। গাজায় ইসরাইলের যুদ্ধ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে চলমান উত্তেজনার মাঝে এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বৃটেন। দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে জানিয়েছে, আমরা নিশ্চিত যে, ইসরাইল সরকারের কোনো প্রতিনিধিকে ডিএসইআই ইউকে ২০২৫ এ আমন্ত্রণ জানানো হবে না। ৯-১২ সেপ্টেমবর পর্যন্ত দ্বিবার্ষিক ওই প্রদর্শনীটি বিশ্বের বৃহত্তম অস্ত্র বাণিজ্য প্রদর্শনীর মধ্যে অন্যতম।
এর আগে ইসরাইলে অস্ত্র রপ্তানির লাইসেন্স বাতিল , মুক্ত বাণিজ্য আলোচনা স্থগিত ও দুই ডানপন্থি ইসরাইলি মন্ত্রীর ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে বৃটেন। গত বছর সেপ্টেম্বরে ইসরাইলে অস্ত্র রপ্তানির ওপর আংশিক নিষেধাজ্ঞা দেয় বৃটেন।তবে মে মাসে প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নিষেধাজ্ঞা সত্ত্বেও বৃটেনের কয়েকটি সংস্থা এখনও ইসরাইলের কাছে অস্ত্র রপ্তানি অব্যাহত রেখেছে।
এদিকে অস্ত্র প্রদর্শনীতে কর্মকর্তাদের নিষেধাজ্ঞার সিদ্ধান্তকে ইচ্ছাকৃত এবং দুঃখজনক বলে মন্তব্য করেছে ইসরাইলের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়। আরও বলা হয়েছে, তারা ওই প্রদর্শনীতে আর অংশগ্রহণই করবে না। এদিকে বৃটেন জানিয়েছে, তারা নিষেধাজ্ঞা প্রত্যাহার করবে যদি ইসরাইল অধিকৃত ফিলিস্তিনি অঞ্চলে আন্তর্জাতিক আইন সমুন্নত রাখতে রাজি হয়। ইতিমধ্যে গাজা যুদ্ধ নিয়ে ইসরাইলকে চাপে রেখেছে বৃটেন। চলতি বছর মে মাসে প্যারিস এয়ার শোতে ইসরাইলি অস্ত্র প্রস্তুতকারকদের অস্ত্র প্রদর্শনীতে নিষেধাজ্ঞা দেয় ফ্রান্স। শনিবার কোপোনহেগেনের বৈঠকে ইসরাইলি মন্ত্রীদের ওপর আরও নিষেধাজ্ঞা আরোপের বিষয়ে আলোচনার জন্য প্রস্তুত ইউরোপীয় ইউনিয়ন। সুইডেন ও নেদারল্যান্ড ইসরাইলের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেয়ার জন্য জোর তাগিদ দিয়েছে। সেপ্টেম্বরে ফিলিস্তিনকে স্বীকৃতি দেয়ার বিষয়ে বলেন বৃটিশ প্রধানমন্ত্রী স্যার কিয়ের স্টারমার। এছাড়া ইসরাইল যদি যুদ্ধবিরতিতে সম্মত না হয় তাহলে কে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণের ইঙ্গিতও দিয়েছেন তিনি।
বাংলাদেশ সময়: ২৩:৪৬:৫৪ ২১ বার পঠিত