
ফিলিস্তিনের গাজা শহরের জেইতুন এলকার সকল ভবন ধ্বংস করেছে ইসরাইল। সেখানে আর কোনো ভবন অক্ষত নেই। এ মাসের শুরুতে গাজায় স্থল অভিযান শুরু করে ইসরাইল। এতে এ পর্যন্ত ১ হাজার ৫০০ বাড়ি ধ্বংস করা হয়েছে। এদিকে রাতভর হামলায় কমপক্ষে ১১ ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছেন। এর মধ্যে এক নারী ও শিশু আছে। তারা বুরেজি শরণার্থী শিবিরের বাসিন্দা ছিলেন। এ খবর দিয়ে অনলাইন আল জাজিরা জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র বাদে জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদের সকল সদস্য আইপিসি’র ঘোষণাকে সমর্থন করেছে। এতে বলা হয়েছে, গাজার দুর্ভিক্ষ মানুষ সৃষ্ট সংকট। বুধবার মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডনাল্ড ট্রাম্প গাজায় ইসরাইলের যুদ্ধ ও যুদ্ধ পরবর্তী পরিকল্পনা নিয়ে একটি নীতিগত বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন।
শিক্ষাবিদ লোরেনজো কামেল বলেছেন, ওই বৈঠকে বলা হয়েছে, রাজনৈতিক সমস্যার কোনো সামরিক সমাধান হতে পারে না। তবে তিনি বলেন, অস্ত্র, নিষেধাজ্ঞা আরোপ ইত্যাদির শর্তাবলীর বিষয়ে সামান্য পরিবর্তন হয়েছে। কামেল আরও বলেন, লেবাননের একটি বৃহৎ অংশ গাজার মতো পরিণতি ভোগ করতে যাচ্ছে। এর আগে ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও ট্রাম্প হিজবুল্লাহকে ধ্বংসের ব্যাপারে আলোচনা করেছেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে ওই কথা বলেন তিনি। জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক সংস্থার (ইউএনআরডব্লিউএ) তরফে বলা হয়েছে, ২২ মাসের যুদ্ধে তাদের একজন কর্মীকে গাজা থেকে ১৯ বার বাস্তুচ্যুত করা হয়েছে। এক্সে এক পোস্ট দিয়ে সংস্থাটি জানিয়েছে, চলমান বোমা হামলায় অধিকাংশ মানুষ বাধ্য হয়ে বাড়ি ছেড়ে পালাচ্ছেন। আরও বলা হয়েছে, মানুষ ক্ষুধার্ত এবং ক্লান্ত। এই মুহূর্তে যুদ্ধবিরতি প্রয়োজন।
বাংলাদেশ সময়: ২৩:৪৩:৩৮ ৩২ বার পঠিত