মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত সেনা সদস্যদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনতে হবে: নাহিদ

প্রথম পাতা » রাজধানী » মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত সেনা সদস্যদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনতে হবে: নাহিদ
বৃহস্পতিবার, ৯ অক্টোবর ২০২৫



মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত সেনা সদস্যদের দ্রুত বিচারের আওতায় আনতে হবে: নাহিদ

মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত সেনাবাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছে। অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেফতার করে বিচারের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন, জাতীয় নাগরিক পার্টির (এসসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম।

বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এক স্ট্যাটাসে নাহিদ এই দাবি জানান। স্ট্যাটাসে নাহিদ বলেন, সেনাবাহিনী বাংলাদেশের স্বাধীনতা, সার্বভৌমত্ব ও জাতীয় নিরাপত্তার ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ও মর্যাদাপূর্ণ প্রতিষ্ঠান। ফ্যাসিবাদী বন্দোবস্তের বিরুদ্ধে জুলাই–আগস্টের স্বতঃস্ফূর্ত গণঅভ্যুত্থানে সেনাবাহিনীর সাহসী সদস্যরা, বিশেষত তরুণ অফিসার ও সৈনিকরা জনগণের পাশে থেকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছেন।

তিনি বলেন, নতুন দেশগঠন, সংস্কার ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষার ক্ষেত্রে সেনাবাহিনী এখনো নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করে যাচ্ছে। কিন্তু এই পথচলায় সংস্কার ও ন্যায়বিচারের প্রক্রিয়া সবার জন্য সমানভাবে প্রযোজ্য হতে হবে। কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠান তার বাইরে নয়।

নাহিদ আরও বলেন, বিগত ফ্যাসিবাদী শাসনামলে রাষ্ট্রের প্রায় সব প্রতিষ্ঠানকেই দলীয় স্বার্থে ব্যবহার করা হয়েছিল। এর প্রভাব সেনাবাহিনীতেও পড়েছিল। সেনাবাহিনীর কিছু কর্মকর্তা, বিশেষত যারা র‍্যাব বা ডিজিফাই এ দায়িত্বে ছিলেন, তারা গুম, খুন, ক্রসফায়ারসহ নানা মানবতাবিরোধী অপরাধ সংঘটিত করেছে। এমনকি জুলাই গণঅভ্যুত্থানের সময় নিরস্ত্র জনগণের উপর গুলি চালানোর ঘটনাও ঘটেছে।

গণঅভ্যুত্থানের পর এক ঐতিহাসিক সুযোগ এসেছে বলেও মন্তব্য করেন নাহিদ ইসলাম। তাই সকল প্রতিষ্ঠানকে কলঙ্কমুক্ত, পুনর্গঠন এবং রাজনৈতিক হস্তক্ষেপ মুক্ত করা প্রয়োজন বলে তিনি মনে করেন।

নাহিদের ভাষ্য, সেনাবাহিনীকে কলঙ্কমুক্ত করতে হলে, মানবতাবিরোধী অপরাধে জড়িত কর্মকর্তাদের বিচারের আওতায় আনতেই হবে। আমরা আশা করি, সেনানেতৃত্ব এ বিষয়ে সরকার ও ট্রাইব্যুনালকে পূর্ণ সহযোগিতা করবে। এটি কোনো প্রাতিষ্ঠানিক ইগো বা মর্যাদার প্রশ্ন নয়। এটি রাষ্ট্র, গণতন্ত্র ও ন্যায়বিচারের প্রশ্ন।

এছাড়া তিনি বলেন, আমরা চাই না বিচারব্যবস্থা ও সেনাবাহিনী কোনোভাবেই মুখোমুখি অবস্থানে থাকুক। দেশবিরোধী ষড়যন্ত্রকারী গোষ্ঠীগুলো চায় সংঘাত ঘটুক, যাতে দেশ অস্থিতিশীল হয়ে তাদের স্বার্থ রক্ষা হয়। আমরা রাজনীতিতে সামরিক হস্তক্ষেপ যেমন চাই না, তেমনি সেনাবাহিনীসহ অন্য কোনো প্রতিষ্ঠানে রাজনৈতিক প্রভাব বা হস্তক্ষেপও সম্পূর্ণরূপে বন্ধ দেখতে চাই।

দেশপ্রেম, সততা ও যোগ্যতার ভিত্তিতেই প্রতিষ্ঠানগুলো পরিচালিত হওয়া উচিত।

বাংলাদেশ সময়: ২৩:১০:০৪   ১৫৮ বার পঠিত  




রাজধানী’র আরও খবর


বিডিআর বিদ্রোহ ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত দাবি ফখরুলের
পিলখানা হত্যা মামলায় প্রথমবার আসামি হচ্ছেন শেখ হাসিনা
নগদে বিনিয়োগ গভর্নরের সঙ্গে বৈঠক করলেন আরমান
অপরাধ করলেই গ্রেপ্তার, অনুমতি লাগবে না
বাসসের এমডির বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তে কমিটি গঠন
শপথ অনুষ্ঠানে একবারও বলা হলো না ‘মহামান্য রাষ্ট্রপতি’
ঢাকা বারে এককভাবে লড়বে আইনজীবী অধিকার পরিষদ
গণভোটের ফল স্থগিতের রিট, আইনি লড়াইয়ের ঘোষণা শিশির মনিরের
ই-ভ্যাট রিটার্ন জমার সময় বাড়ালো
দুপুর ১২টা পর্যন্ত ঢাকার ১৩টি আসনে ১৫ শতাংশ ভোট পড়েছে

Law News24.com News Archive

আর্কাইভ