যে সাক্ষ্য-প্রমাণ, তাতে সাজা দেওয়ার বিকল্প নেই: অ্যাটর্নি জেনারেল

প্রথম পাতা » জাতীয় » যে সাক্ষ্য-প্রমাণ, তাতে সাজা দেওয়ার বিকল্প নেই: অ্যাটর্নি জেনারেল
শুক্রবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৫



যে সাক্ষ্য-প্রমাণ, তাতে সাজা দেওয়ার বিকল্প নেই: অ্যাটর্নি জেনারেল

সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সমাপনী বক্তব্য দিয়েছেন রাষ্ট্রের শীর্ষ আইন কর্মকর্তা অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট এম আসাদুজ্জামান।

যুক্তিতর্ক উপস্থাপনের শেষ দিনে শুনানিতে অংশ নিয়ে তিনি বলেছেন, মামলার অভিযুক্তরা মানবতাবিরোধী অপরাধ করে দেশ ছেড়ে পালিয়েছেন। একজন প্রধানমন্ত্রী, একজন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী, উনারা দেশ পরিচালনার দায়িত্ব নিয়েছিলেন, সেটা জোর করে হোক, নির্বাচিত হয়ে হোক, যেভাবেই হোক। তাহলে কি এমন ঘটনা ঘটল যে উনাকে পালিয়ে যেতে হলো? কেন তিনি বা তারা দেশ ছেড়ে গেলেন? উনারা খুন করেছেন, মানবতাবিরোধী অপরাধ করেছেন। এই খুনের পর যখন জনগণ জেগে উঠেছে, তখন এই মামলার অভিযুক্তরা পালিয়ে গেছেন। তিনি বলেন, এই পালানোকে সাধারণ পালানো হিসেবে দেখলে হবে না। শুধু তাই না, উনারা এই বিচার সম্পর্কে জানেন, বিচার পর্যবেক্ষণ করছেন। এই বিচারের বিষয়ে কথা বলেছেন। এই বিচারকে প্রতিহত করার জন্য বিভিন্ন রকম ইনস্ট্রাকশন (নির্দেশনা) দিচ্ছেন। ফলে এটা বলার সুযোগ নেই অভিযুক্তরা নিরপরাধ।

বিচারপতি মো. গোলাম মূর্তজা মজুমদারের নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের ট্রাইব্যুনাল-১-এ এ যুক্তি তুলে ধরেন অ্যাটর্নি জেনারেল। তিনি বলেন, একটা দেশে ৩৬ দিনে ১৪০০ মানুষকে হত্যা করা হয়েছে, প্রায় ৩০ হাজার মানুষকে পঙ্গুত্ব বরণ করানো হয়েছে শুধু ক্ষমতাকে প্রলম্বিত করার জন্য, রাজনৈতিক উদ্দেশ্য নিয়ে। আমি বিশ্বাস করি যে সাক্ষ্য-প্রমাণ আপনাদের সামনে এসেছে, এসব সাক্ষ্য-প্রমাণ বিশ্বের যে কোনো দেশের যে কোনো আদালতে উপস্থাপন করলে ন্যায়বিচারের স্বার্থে এই আসামিদের সাজা দেওয়া ছাড়া বিকল্প কোনো পথ থাকবে না আদালতের সামনে। তারপরও এই বিচার যদি আমরা করতে না পারি, তাহলে আমরা বাংলাদেশে মানুষ হিসেবে ভীরু কাপুরুষের উপমা হয়ে রয়ে যাব।

চিফ প্রসিকিউটর তাজুল ইসলাম বলেন, এ রকম নিষ্ঠুর হত্যাযজ্ঞ, পুরো প্রজন্মকে হত্যা করে ফেলার চেষ্টা, ৩৫ হাজার মানুষকে আহত করা, অঙ্গহানি করা, এরপরও সামান্যতম অনুশোচনা নেই আসামিদের। রাষ্ট্রের মধ্যে শেখ হাসিনা একটা সিভিল ওয়ার (গৃহযুদ্ধ) লাগানোর চেষ্টা করেছেন। সেনাবাহিনী ও জনগণকে মুখোমুখী দাঁড় করানোর চেষ্টা করেছেন। কিন্তু বাংলাদেশের দেশপ্রেমিক সেনাবাহিনী ও জনগণ সেই পাতা ফাঁদে পা দেয়নি। সুতরাং সর্বোচ্চ শাস্তিটা তার অবশ্যই প্রাপ্য।

বাংলাদেশ সময়: ২৩:৩৩:২৩   ১০৩ বার পঠিত  




জাতীয়’র আরও খবর


জনপ্রশাসনে শুদ্ধি অভিযান
ডিজিএফআই-এর নতুন মহাপরিচালক কায়ছার রশীদ চৌধুরী
লিটু নামের সেই ছেলেটি এখন আইনমন্ত্রী
১০ মার্চ ফ্যামিলি কার্ডের পাইলট প্রকল্পের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী
আরও ১২০২টি রাজনৈতিক মামলা প্রত্যাহারের অনুমোদন দেয়া হয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
হাইকোর্টের ২ বিচারপতির পদত্যাগপত্র গ্রহণ করেছেন রাষ্ট্রপতি
কর্মকর্তা-কর্মচারীদের যেসব নির্দেশনা আইন মন্ত্রণালয়ের
সড়কে সমঝোতার ভিত্তিতে টাকা নেয়া হলে সেটা চাঁদা নয়: সড়ক পরিবহন মন্ত্রী
ফ্যামিলি কার্ড প্রদান সংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি গঠন
প্রথম মন্ত্রিসভা বৈঠকে যেসব নির্দেশনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

Law News24.com News Archive

আর্কাইভ