মিতু হত্যা মামলায় স্বামী বাবুল আক্তারকে জামিন দেননি হাইকোর্ট

প্রথম পাতা » প্রধান সংবাদ » মিতু হত্যা মামলায় স্বামী বাবুল আক্তারকে জামিন দেননি হাইকোর্ট
মঙ্গলবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৪



---

 মাহমুদা খানম (মিতু) হত্যা মামলায় স্বামী সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) বাবুল আক্তারের জামিন আবেদন খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট।

সোমবার (২৯ এপ্রিল) বিচারপতি মো. হাবিবুল গনি ও বিচারপতি আহমেদ সোহলের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন।

আদালতে আবেদনের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরী। রাষ্ট্রপক্ষে শুনানি করেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল আসাদুজ্জামান মনির ও সহকারী অ্যাটর্নি জেনারেল মো. শাহনেওয়াজ।

এর আগে মিতু হত্যা মামলায় সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) বাবুল আক্তারের জামিন চেয়ে হাইকোর্টে আবেদন করা হয়।

২০২৩ সালের ২৩ মার্চ মাহমুদা খানম (মিতু) হত্যা মামলায় সাবেক পুলিশ সুপার (এসপি) বাবুল আক্তারসহ সাতজনের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত। চট্টগ্রামের তৃতীয় অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালত এ আদেশ দেন।

বাবুল আক্তারের সঙ্গে অভিযোগপত্রভুক্ত অপর ছয় আসামি হলেন কামরুল ইসলাম শিকদার ওরফে মুসা, এহতেশামুল হক ওরফে ভোলা, মো. মোতালেব মিয়া ওরফে ওয়াসিম, মো. আনোয়ার হোসেন, মো. খাইরুল ইসলাম ওরফে কালু ও শাহজাহান মিয়া। তাদের মধ্যে বাবুল, ওয়াসিম, শাহজাহান ও আনোয়ার কারাগারে আছেন। এহতেশামুল জামিনে, কামরুল শিকদার মুসা ও খাইরুল ইসলাম কালু শুরু থেকে পলাতক।

২০১৬ সালের ৫ জুন সকালে চট্টগ্রাম নগরের নিজাম রোডে ছেলেকে স্কুলবাসে তুলে দিতে যাওয়ার পথে দুর্বৃত্তদের গুলি ও ছুরিকাঘাতে খুন হন মাহমুদা খানম মিতু। ওই সময় এ ঘটনা দেশজুড়ে ব্যাপক আলোচিত হয়। ঘটনার সময় মিতুর স্বামী পুলিশ সুপার বাবুল আক্তার অবস্থান করছিলেন ঢাকায়। ঘটনার পর চট্টগ্রামে ফিরে তৎকালীন পুলিশ সুপার ও মিতুর স্বামী বাবুল আক্তার পাঁচলাইশ থানায় অজ্ঞাতপরিচয়দের আসামি করে একটি হত্যা মামলা করেন।

তবে মামলাটিতে স্ত্রী হত্যাকাণ্ডে স্বামী বাবুল আক্তারেরই সম্পৃক্ততা পায় পিবিআই। ২০২১ সালের ১২ মে আগের মামলাটিতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়। একই দিন বাবুল আক্তারকে প্রধান আসামি করে চট্টগ্রাম নগরের পাঁচলাইশ থানায় দ্বিতীয় মামলাটি দায়ের করেন মিতুর বাবা সাবেক পুলিশ পরিদর্শক মোশাররফ হোসেন। ওইদিনই মামলাটিতে বাবুল আক্তারকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে প্রেরণ করে পিবিআই। সেই থেকে কারাগারে রয়েছেন বাবুল।

এদিকে, প্রথম মামলায় পিবিআইয়ের দেওয়া চূড়ান্ত প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে ২০২১ সালের ১৪ অক্টোবর নারাজির আবেদন করেন বাবুলের আইনজীবী। আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে একই বছরের ৩ নভেম্বর নারাজি ও পিবিআইয়ের প্রতিবেদন খারিজ করে মামলাটি অধিকতর তদন্তের আদেশ দেন। এরপর দুটি মামলাই তদন্ত করতে থাকে পিবিআই। তবে পরবর্তী সময়ে আদালতের নির্দেশনা অনুযায়ী গত বছরের ২৫ জানুয়ারি মিতুর বাবার দায়ের করা মামলার চূড়ান্ত প্রতিবেদন দেওয়া হয়। এরপর একই বছরের ১৩ সেপ্টেম্বর প্রথম মামলাটি অধিকতর তদন্ত শেষে বাবুলসহ ৭ জনকে আসামি করে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেওয়া হয়।

২০২৩ সালের ১৩ মার্চ আলোচিত মামলাটিতে বাবুল আক্তারসহ সাত আসামির বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত।

বাংলাদেশ সময়: ০:১৩:৩৬   ৩৬০ বার পঠিত  




প্রধান সংবাদ’র আরও খবর


সংসদের কেনাকাটায় অনিয়মের প্রমাণ মেলেনি, জানাল তদন্ত কমিটি
লেবাননে ইসরাইলি বাহিনীর অতর্কিত হামলা, নিহত ৯
অ্যাক্সিওসের রিপোর্ট ইরানে ব্যাপক হামলার পরিকল্পনা যুক্তরাষ্ট্রের
১১ দেশ নিয়ে ভারতের সামরিক মহড়ার আয়োজন, তালিকায় নেই বাংলাদেশ
সংসদে আইনমন্ত্রী জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর হত্যা, গুমসহ ১ হাজার ৮৫৫ মামলা
বিসিবির অ্যাডহক কমিটির বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে রিট
ঘরে বসেই চাঁদা পরিশোধ করতে পারবেন আইনজীবীরা
দাম বাড়লো সয়াবিন তেলের
চিত্রনায়িকা পূজা চেরির বাবা কারাগারে
২২ বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ ১২৭২ ডেথ রেফারেন্স বিচার নিষ্পত্তির অপেক্ষায় ফাঁসির আসামিরা

Law News24.com News Archive

আর্কাইভ