শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬

১৫ বছর আগে ব্যবসায়ী হত্যায় ২ আসামির যাবজ্জীবন

প্রথম পাতা » জেলা জজ কোর্ট » ১৫ বছর আগে ব্যবসায়ী হত্যায় ২ আসামির যাবজ্জীবন
শুক্রবার, ৩১ জুলাই ২০২৬



১৫ বছর আগে ব্যবসায়ী হত্যায় ২ আসামির যাবজ্জীবন

রাজধানীর গেণ্ডারিয়ার থানার শ্যামবাজারে ১৫ বছর আগে কাঁচামালের ব্যবসায়ী মো. চুন্নু মিয়াকে হত্যার অভিযোগে করা মামলায় দুই ছিনতাইকারীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত।

বৃহস্পতিবার (৩০ জুলাই) দুপুরে ঢাকার নবম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের বিচারক মাহমুদুল ইসলাম এই রায় ঘোষণা করেন।

দণ্ডের পাশাপাশি প্রত্যেককের ১০ হাজার টাকা করে অর্থদণ্ড, অর্থদণ্ড অনাদায়ে তাদের আরো ৬ মাসের কারাদণ্ড ভোগ করতে হবে।

যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন মো. মামুন ও বাবু ওরফে বাঘা বাবু।

সংশ্লিষ্ট আদালতের রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী আমিনুল ইসলাম সরকার এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

তিনি বলেন, রায় ঘোষণার আগে আসামিরা পলাতক থাকায় তাদের বিরুদ্ধে সাজা পরোয়ানাসহ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়।

রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করেছেন এই রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী। এ ছাড়া ছিনতাইয়ের দায়ে তাদের আরো পাঁচ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড ও পাঁচ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দেওয়া হয়েছে।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, ঢাকার গেণ্ডারিয়া এলাকার শ্যামবাজারে কাঁচামালের ব্যবসা করতেন সবজি ব্যবসায়ী চুন্নু মিয়া। ২০১১ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি রাত সাড়ে ১২ টার দিকে কাঁচামাল কেনার জন্য যাত্রাবাড়ী আড়তে যান।

সেখান থেকে এক বস্তা বেগুন কিনে রিকশায় করে শ্যামবাজারের উদ্দেশে রওনা হন। ভোর ৫ টার দিকে গেণ্ডারিয়া থানার কাঠেরপুল এলাকায় পৌঁছালে আসামিরা তার রিকশা আটকে দেন। তারা তার কাছে টাকা টাকা-পয়সা ছিনতাইয়ের চেষ্টা করে। চুন্নু মিয়া আসামিদের পরিচিত মর্মে জানায়। এ কথা শোনার পর সজিব তাকে ছুরিকাঘাত করে।

পরে গেণ্ডারিয়া থানা পুলিশ খবর পেয়ে তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানকার চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। ওই ঘটনায় চুন্নু মিয়ার শ্যালক মো. জাহাঙ্গীর পরদিন গেণ্ডারিয়া থানায় ছিনতাইয়ের পর খুনের অভিযোগ এনে মামলা করেন।

মামলাটির তদন্ত শেষে ২০১১ সালের ১৪ জুন আসামি সজিব, মামুন ও বাঘা বাবুর বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন গেণ্ডারিয়া থানার উপপরিদর্শক মনিরুজ্জামান। একই বছরের ৭ আগস্ট আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন আদালত।

মামলাটির বিচার চলার সময় আদালত ১৯ জন সাক্ষীর মধ্যে ১২ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ করে। বিচার চলাকালে আসামি সজিব মারা যাওয়ায় তাকে মামলা থেকে অব্যাহতির আদেশ দেন আদালত।

বাংলাদেশ সময়: ৯:১০:৫৩   ২ বার পঠিত