![]()
কুমিল্লায় কাস্টমস কর্মকর্তা বুলেট বৈরাগী হত্যায় গ্রেপ্তার পাঁচ আসামিকে জিজ্ঞাসাবাদে ঘটনার বিষয়ে বিস্তারিত জানতে পেরেছে র্যাব। সংঘবদ্ধ ছিনতাইকারী চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে ঢাকা–চট্টগ্রাম মহাসড়কে দূরপাল্লার যাত্রীদের টার্গেট করে ছিনতাই করে আসছিল।
র্যাব বলছে, ২৪ এপ্রিল রাতে চট্টগ্রাম থেকে ফেরার পথে বাস থেকে নামার পর বুলেট বৈরাগীকে কৌশলে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় তোলে চক্রটি। এরপর চলন্ত গাড়িতে তাকে মারধর করে জিনিসপত্র ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। একপর্যায়ে গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে মহাসড়কের পাশে ফেলে দেওয়া হলে ঘটনাস্থলেই তার মৃত্যু হয়।
এ বিষয়ে জানাতে আজ সোমবার রাজধানীর কারওয়ান বাজারে র্যাব মিডিয়া সেন্টারে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। এতে র্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক উইং কমান্ডার এম জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী বলেন,গ্রেপ্তার ব্যক্তিরাপ্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে হত্যাকাণ্ডে নিজেদের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছে। তারা নিয়মিতভাবে দূরপাল্লার বাস থেকে নামা একাকী যাত্রীদের অনুসরণ এবং সুযোগ বুঝে গাড়িতে তুলে ছিনতাই করতো।
র্যাবের দাবি, এই চক্রের সঙ্গে আরও সদস্য জড়িত থাকতে পারে। তাদের শনাক্তে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। একইসঙ্গে মহাসড়ককেন্দ্রিক এমন সংঘবদ্ধ অপরাধ দমনে নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।
এক প্রশ্নের জবাবে ইন্তেখাব চৌধুরী বলেন, গ্রেপ্তারদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন থানায় চুরি, ডাকাতি ও মাদক সংক্রান্ত একাধিক মামলা রয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন।
বাংলাদেশ সময়: ১৯:৪২:০৬ ৯ বার পঠিত