
অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেছেন, ২০২৬ সালের নির্বাচনের মাধ্যমে গণতন্ত্রের যাত্রা আবার শুরু হয়েছে।
রোববার (৫ এপ্রিল) রাজধানীর শেরেবাংলা নগরের জিয়া উদ্যানে বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে ফাতেহা পাঠ, দোয়া ও পুষ্পস্তবক অর্পণ শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।
অ্যার্টনি জেনালেন বলেন, ৩১ ডিসেম্বর বেগম খালেদা জিয়ার জানাজায় লাখ লাখ মানুষের অংশগ্রহণ তার ব্যাপক জনপ্রিয়তার প্রমাণ। বাংলাদেশের গণতন্ত্র ও মানবাধিকার রক্ষায় খালেদা জিয়া ছিলেন আপসহীন একজন নেত্রী। গণতন্ত্র উত্তরণের এ পর্যায়ে তিনি (খালেদা জিয়া) আমাদের মাঝে নেই। তারেক রহমান যেন ভবিষ্যতে সঠিকভাবে রাষ্ট্র পরিচালনা করতে পারেন, সে জন্য আজ দোয়া করা হয়েছে। একইসঙ্গে মরহুম আরাফাত রহমান কোকোর জন্যও দোয়া করা হয়।
তিনি বলেন, সততা ও নিষ্ঠার সঙ্গে দায়িত্ব পালনে সবার সহযোগিতা কামনা করছি।
গণতান্ত্রিক সমাজব্যবস্থায় বিচার বিভাগের স্বাধীনতার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, মানুষের ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকার নিশ্চিত করাই বিচার বিভাগের মূল লক্ষ্য।
অ্যাটর্নি জেনারেল অভিযোগ করে বলেন, আগের তিনটি নির্বাচনে দেশের গণতন্ত্র ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তবে ২০২৬ সালের নির্বাচনের মাধ্যমে গণতন্ত্রের যাত্রা আবার শুরু হয়েছে। এতে সুশাসন প্রতিষ্ঠিত হবে এবং মানুষের মৌলিক অধিকার হিসেবে ন্যায়বিচার প্রাপ্তি নিশ্চিত হবে বলেও আশা প্রকাশ করেন তিনি।
ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, রাষ্ট্রের নির্বাহী, বিচার বিভাগ ও আইনসভা স্বতন্ত্রভাবে কাজ করতে পারলেই গণতন্ত্র সুসংহত হবে। তবে এখন পর্যন্ত নির্বাহী বিভাগের হস্তক্ষেপ দেখা যায়নি।
নবনিযুক্ত অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার মো. রুহুল কুদ্দুস কাজল নেতৃত্বে ওই কর্মসূচিতে অ্যাটর্নি অফিসের অন্যান্য কর্মকর্তারা অংশ নেন।
বাংলাদেশ সময়: ০:০৮:০৪ ৯ বার পঠিত