সেনা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মামলা কার নির্দেশ বা অনুরোধে এই তিন মামলা ট্রাইব্যুনালে দায়ের করা হলো, প্রশ্ন আইনজীবীর

প্রথম পাতা » আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল » সেনা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মামলা কার নির্দেশ বা অনুরোধে এই তিন মামলা ট্রাইব্যুনালে দায়ের করা হলো, প্রশ্ন আইনজীবীর
রবিবার, ১৫ মার্চ ২০২৬



কার নির্দেশ বা অনুরোধে এই তিন মামলা ট্রাইব্যুনালে দায়ের করা হলো, প্রশ্ন আইনজীবীর

বর্তমান ও সাবেক সেনা কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে করা তিনটি মামলা কার নির্দেশ বা অনুরোধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে দায়ের করা হয়েছে এ প্রশ্ন তুলেছেন আসামিপক্ষের আইনজীবী এ বি এম হামিদুল মেজবাহ।

বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) সকালে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল প্রাঙ্গণে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলার সময় তিনি এ মন্তব্য করেন।

ট্রাইব্যুনালে আওয়ামী লীগ সরকারের সময় গুমের ঘটনায় দুটি এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় হত্যার অভিযোগে একটি মামলায় বর্তমানে ১৫ জন সেনা কর্মকর্তা গ্রেপ্তার রয়েছেন। তাদের পক্ষে এমন বক্তব্য তুলে ধরেন আইনজীবী হামিদুল মেজবাহ।

তিনি বলেন, এই তিনটি মামলা আসলে ট্রাইব্যুনালের অধিক্ষেত্রের মধ্যে পড়ে না। আসামিদের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগগুলোও মানবতাবিরোধী অপরাধের আওতায় পড়ে না বলেও দাবি করেন তিনি।

আইনজীবীর বক্তব্য অনুযায়ী, অভিযুক্তরা বর্তমানে কর্মরত সেনা কর্মকর্তা এবং তাদের বিচার সেনা আইনের অধীনেই হওয়া উচিত। তিনি বলেন, বিদ্যমান সেনা আইন অনুযায়ী এসব অভিযোগের বিচার করা সম্ভব ছিল। এবং  এখনো যথেষ্ট সুযোগ আছে তা করার।

তিনি আরও বলেন, ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল আইন সংশোধন করা হয়েছে। এভাবে যে আইন সংশোধন করা হলো, তার কারণ তদন্ত করা উচিত।

আইনজীবী বলেন, তারা (অন্তর্বর্তী সরকার) যখন এই সংশোধনগুলো আনে, এখানে বিচার (সেনাসদস্যদের ট্রাইব্যুনালে বিচার) করার জন্য, তারা কিন্তু আইনটাকে বদলেছে। তাদের (অন্তর্বর্তী সরকার) সুস্পষ্ট জ্ঞান ছিল যে সেনা আইনে এই বিচার করা সম্ভব। এবং সেনা আইন রয়েছে। সেনা আইন থাকা সত্ত্বেও তারা (অন্তর্বর্তী সরকার) এই আইনকে ঘষামাজা করে সংশোধন করে এমন একটা জায়গায় নিয়ে এসেছে, যেটা সেনা আইনের সঙ্গে সাংঘর্ষিক। সে কারণে আসামিপক্ষ মনে করেন, এটা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে করা হয়েছে।

হামিদুল মেজবাহ দাবি করেন, মামলাগুলো দায়েরের নির্দেশ তৎকালীন অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের কাছ থেকে এসেছে। তিনি বলেন, যেহেতু তার কাছ থেকে নির্দেশনা এসেছে তাই এখানে এই মামলাগুলো করার ব্যাপারে একটি তদন্ত হওয়া জরুরি। তিনি কিসের পরিপ্রেক্ষিতে, কার নির্দেশে বা অনুরোধে এই মামলাগুলো এখানে হওয়ার জন্য অনুমতি দিয়েছিলেন তার তদন্ত হওয়া দরকার।

বাংলাদেশ সময়: ৮:৩৫:৫৫   ১২৫ বার পঠিত  




আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল’র আরও খবর


ফারজানা রুপার পক্ষে মামলা লড়তে দুই ব্রিটিশ আইনজীবীর আবেদন
নিরাপত্তা শঙ্কায় জিয়াউল আহসানের বিচার হবে ভার্চুয়ালি
গণহত্যার তথ্য আড়াল করতেই ইন্টারনেট বন্ধ করেছিল সরকার: প্রসিকিউটর
নানক-তাপসসহ ২৮ জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ ১২ অক্টোবর পর্যন্ত পিছিয়েছে
শাপলা চত্বর হত্যা মামলার অভিযোগ গঠনের শুনানি ১ নভেম্বর
মাহবুবউল আলম হানিফসহ চারজনের বিরুদ্ধে মানবতাবিরোধী মামলার রায় যে কোনো দিন
পিলখানা হত্যাকাণ্ডের তথ্য জানতেন বলেই ‘জঙ্গি’ সাজিয়ে হত্যা
আদালতকে বলতে চাইলাম ফাঁসি দিয়ে দেন, প্রস্তুত আছি: লতিফ সিদ্দিকী
পরিবার ও আইনজীবীদের সঙ্গে সাক্ষাতের অনুমতি চাইলেন পলক
সাবেক রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিন-হামিদের বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে অভিযোগ

Law News24.com News Archive

আর্কাইভ