
সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের মধ্য দিয়ে যে ফলাফল হবে সে ফলাফল ১১ দলীয় জোট মেনে নিবে এবং অন্যদেরও মেনে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন জামায়াত আমিন ডা. শফিকুর রহমান।
বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর মনিপুর কেন্দ্রে ভোট দিয়ে এই কথা বলেছেন তিনি।
ভোট প্রদান শেষে জামায়াত আমির বলেন, দেড় যুগ পর আজকে ভোট দিতে পেরে শুকরিয়া আদায় করছি। আমি আশা করছি এই ভোটের মাধ্যমে নতুন বাংলাদেশ গঠিত হবে। যে সরকার হবে সবার সরকার, কোন ব্যক্তি বা পরিবারের হবে না।
এক প্রশ্নের জবাবে বলেন, কেবল আসলাম, সারাদেশে খোঁজ নেবো, ছোট খাটো কোন বিষয় হলে আমরা এড়িয়ে যাবো, বড় বিষয় হলে যা করার করা হবে। ভোট নিরপেক্ষ হলে মেনে নেবো।
সারাদেশে টাকা ছড়ানো সংক্রান্ত খবরে বিষয়ে বলেন, মিডিয়াও একেক মিডিয়া একেক রকম খবর দিয়েছে। মিডিয়া নিরপেক্ষ ভূমিকা পালন করছে না। তবে, দেশ গড়তে কাধে কাধ মিলিয়ে মিডিয়াকে কাজ করার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
নির্বাচনের ফলাফল পক্ষে বা বিপক্ষে গেলে কী প্রতিক্রিয়া হবে এমন প্রশ্নের জবাবে বলেন, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ ভোটের মধ্য দিয়ে যে ফলাফল আসবে তা আমরাও মানবো, অন্যদেরও মানতে হবে।
ঢাকা-১৫ আসন থেকে লড়ছেন জামায়াতের শীর্ষ নেতা শফিকুর রহমান। তার সঙ্গে বিএনপি সমর্থিত শফিকুল ইসলাম খানের প্রতিদ্বন্দ্বিতায় আভাস দিয়েছেন ভোটাররা
জামায়াত নেতা শফিকুর রহমান এর আগে ২০১৮ সালে নির্বাচন করেছিলেন। তবে নিবন্ধন না থাকায় বিএনপির প্রতীক ধানের শীষ প্রতীকে নির্বাচন করেছিলেন। আওয়ামী লীগের অধীনে হওয়া সেই নির্বাচনে তৎকালীন সরকারদলীয় প্রার্থী কামাল আহমেদ মজুমদারের কাছে পরাজিত হয়েছিলেন।
আসনের অন্যান্য প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা হলেন সিপিবির আহাম্মদ সাজেদুল হক, জাতীয় পার্টির মো. সামসুল হক, বাংলাদেশ জাসদের মো. আশফাকুর রহমান, জনতার দলের খান শোয়েব আমান উল্লাহ, বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির মোবারক হোসেন ও আমজনতার দলের মো. নিলাভ পারভেজ।
ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের ৪, ১৩, ১৪ ও ১৬ নম্বর ওয়ার্ড (মিরপুর-কাফরুল) নিয়ে ঢাকা-১৫ আসন গঠিত। তালতলা, শেওড়াপাড়া, কাজীপাড়া, কাফরুল, মিরপুর ১০, মিরপুর ১৪, কচুক্ষেত ও পূর্ব সেনপাড়াসহ নগরীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকা এ আসনে পড়েছে। এ আসনের ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৫১ হাজার ৭১৮ জন, যার মধ্যে নারী ভোটার ১ লাখ ৭২ হাজার ৯০২ জন। অর্থাৎ, মোট ভোটের প্রায় ৪৯ শতাংশ নারী।
বাংলাদেশ সময়: ১২:৫৮:২০ ২৫ বার পঠিত