সুন্দরবনের প্রায় ৩৩ কোটি সুন্দরী গাছের মধ্যে ৩৯ শতাংশ বা ১২ কোটি ৯৫ লাখ গাছ আগামরা বা টপ-ডাইং রোগে আক্রান্ত। এর মধ্যে ২ কোটি ২ লাখ ৪০ হাজার গাছ মারাত্মকভাবে আক্রান্ত। গবেষণার তথ্য অনুযায়ী, সুন্দরবনের কার্বন শোষণের ক্ষমতা ১৫ শতাংশ কমেছে এবং প্রতি হেক্টরে চারার ঘনত্ব ১৯৮৬ সালের ২ হাজার ৬৮৯টি থেকে কমে ২০২২ সালে ৭৭৬টিতে দাঁড়িয়েছে।
- গবেষণায় লবণাক্ততা বৃদ্ধি, মিঠাপানির প্রবাহ কমে যাওয়া, পলিপতন, জোয়ার-ভাটায় পরিবর্তন এবং জলবায়ু পরিবর্তনকে এই পরিস্থিতির জন্য দায়ী করা হয়েছে।
- সিইজিআইএস ও আরণ্যক ফাউন্ডেশনের ‘ইকোলজিক্যাল মনিটরিং অব সুন্দরবন’ শীর্ষক গবেষণায় এই চিত্র উঠে এসেছে।
- গবেষক অধ্যাপক স্বপন সরকার জানান, উচ্চ ও মাঝারি মাত্রার লবণাক্ত অঞ্চলে সুন্দরী গাছের আক্রান্ত হওয়ার হার বেশি।
- বন অধিদপ্তরের প্রধান বন সংরক্ষক মো. আমীর হোসাইন চৌধুরী জানান, এটি সুন্দরবনের প্রথম বেজলাইন স্টাডি।
বাংলাদেশ সময়: ২০:২৩:৪৭ ১০ বার পঠিত #গবেষণা #জলবায়ু পরিবর্তন #পরিবেশ #বন অধিদপ্তর #সুন্দরবন #সুন্দরী গাছ