![]()
জামালপুর-১ (দেওয়ানগঞ্জ-বকশীগঞ্জ) আসনে ভোট কারচুপির গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ নাজমুল হক সাঈদী। তিনি সংবাদ সম্মেলনে পুণরায় ভোটের দাবি তুলেছেন।
এদিকে নির্বাচন চলাকালীন আচরণবিধি লঙ্ঘনের দায়ে ৫ জনকে আটক করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। বৃহস্পতিবার (১২ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ২টার দিকে উপজেলার গুরুত্বপূর্ণ দুটি কেন্দ্রে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়। এর মধ্যে দেওয়ানগঞ্জ সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্র থেকে ৪ জন এবং মৌলভীরচর উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্র থেকে ১ জনকে আটক করা হয়েছে।
দেওয়ানগঞ্জ বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে দায়িত্বরত ভিজিটিং অফিসার খোরশেদ আলম আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, নির্বাচনের সুষ্ঠু পরিবেশ বজায় রাখতে এবং আচরণবিধি লঙ্ঘন রোধে এই তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
বড় এই কেন্দ্রটিতে মোট ভোটার সংখ্যা ৪ হাজার ৯৫৩ জন, যার মধ্যে নারী ও পুরুষের সংখ্যা প্রায় সমান। প্রশাসনের এমন কঠোর অবস্থানে ভোটারদের মধ্যে কিছুটা স্বস্তি দেখা গেলেও আটকের ঘটনাকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে।
এদিকে, নির্বাচনের মাঝপথে ভোট কারচুপির গুরুতর অভিযোগ তুলেছেন জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী অ্যাডভোকেট মোহাম্মদ নাজমুল হক সাঈদী। দুপুরে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি দাবি করেন, সদর, চুকাইবাড়ি ও চিকাজানী ইউনিয়নের বিভিন্ন কেন্দ্রে ব্যাপক অনিয়ম ও ভোট কারচুপি হয়েছে। এসব ইউনিয়নের ভোট বাতিল করে পুনরায় গ্রহণের জন্য তিনি নির্বাচন কমিশনের কাছে জোরালো আবেদন জানান।
জামায়াত প্রার্থীর এই অভিযোগ ও পুনরায় ভোটের দাবিতে নির্বাচনী এলাকায় নতুন করে রাজনৈতিক উত্তাপ ছড়িয়ে পড়েছে।
রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় থেকে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, বিক্ষিপ্ত কিছু ঘটনা এবং অভিযোগের মাঝেও অন্যান্য কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ অব্যাহত রয়েছে। তবে জামায়াত প্রার্থীর অভিযোগ এবং কেন্দ্রগুলোতে আটকের ঘটনা পুরো নির্বাচনী পরিবেশকে পর্যালোচনার মুখে দাঁড় করিয়েছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও বিজিবি সদস্যরা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিভিন্ন ইউনিয়নে নিয়মিত টহল দিচ্ছেন।
বাংলাদেশ সময়: ১৬:৩৬:৩২ ৪৫ বার পঠিত