![]()
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে ঝিনাইদহ জেলার চারটি সংসদীয় আসনের ৫৮৮টি ভোটকেন্দ্রের মধ্যে ২৩৭টি কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে প্রশাসন। অর্থাৎ প্রায় ৪০ শতাংশ কেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব কেন্দ্রে বাড়তি আইনশৃঙ্খলা বাহিনী মোতায়েন, নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।
জানা যায়, ঝিনাইদহ-৩ (কোটচাঁদপুর–মহেশপুর) আসনে সর্বোচ্চ ৮৭টি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ এবং ঝিনাইদহ-২ (সদর–হরিণাকুণ্ডু) আসনে ৬৩টি, ঝিনাইদহ-১ (শৈলকূপা) আসনে ৫৬টি এবং ঝিনাইদহ-৪ (কালীগঞ্জ) আসনে ৩১টি কেন্দ্র ঝুঁকিপূর্ণ তালিকায় রয়েছে।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোকে অগ্রাধিকার দিয়ে নিরাপত্তা টহল বাড়ানো হয়েছে। গুরুত্বপূর্ণ সড়কে সেনাবাহিনীর টহল চলছে। র্যাব পুলিশ ও বিজিবির সমন্বয়ে গঠিত যৌথ বাহিনী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে দায়িত্ব পালন করছে।
জেলায় মোট ভোটার সংখ্যা ১৫ লাখ ৭৫ হাজার ৩৪৬ জন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ৭ লাখ ৮৩ হাজার ৭৯৩ জন, নারী ভোটার ৭ লাখ ৯১ হাজার ৫৩৪ জন এবং তৃতীয় লিঙ্গের ভোটার রয়েছেন ১৯ জন। নিবন্ধিত পোস্টাল ভোটার রয়েছেন ২১ হাজারের বেশি। চারটি আসনে মোট ২১ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। ৪টি সংসদীয় আসনে মোট প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন ২১ জন প্রার্থী।
জেলা রিটার্নিং অফিসার আব্দুল্লাহ আল মাসউদ বলেন, ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোতে পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে বাড়তি নিরাপত্তা, কড়া নজরদারি ও তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণের প্রস্তুতি রাখা হয়েছে। ভোট গ্রহণ নিরাপদ ও সুষ্ঠু করার জন্য জেলার ভোটকেন্দ্রগুলোতে প্রায় ১১ হাজার আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য মোতায়েন থাকবে। এর মধ্যে রয়েছেন ৭ হাজার ৬’শ ৪৪ জন আনসার সদস্য, ১ হাজার ৬’শ ৪৪ জন পুলিশ সদস্য, ১ হাজার ২৯ জন সেনাবাহিনীর সদস্য, র্যাবের ৪৮ জন সদস্য, বিজিবির ২’শ ২২ জন সদস্য। এছাড়া ১২ জন জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট, ১৬ জন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটসহ একাধিক ভ্রাম্যমাণ স্ট্রাইকিং ফোর্স দায়িত্ব পালন করবেন।
বাংলাদেশ সময়: ২২:৫১:০৮ ৬৩ বার পঠিত