জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় শুনানি মুলতবি

প্রথম পাতা » জাতীয় » জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় শুনানি মুলতবি
বুধবার, ৮ জানুয়ারী ২০২৫



---

জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার ১০ বছরের সাজার বিরুদ্ধে আপিলের শুনানি আগামীকাল পর্যন্ত মুলতবি করেছেন আপিল বিভাগ। হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগের শুনানি শেষে আজ মঙ্গলবার প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন আপিল বিভাগ এ আদেশ দেন।

আদালতে খালেদা জিয়ার পক্ষে শুনানি করছেন ব্যারিস্টার কায়সার কামাল। তার সঙ্গে আছেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জয়নুল আবেদীন, ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল। অন্যদিকে আদালতে রাষ্ট্রপক্ষ দুদকের পক্ষে আছেন অ্যাডভোকেট আসিফ হোসাইন।

ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, মনগড়া ও রাজনৈতিক উদ্দেশ্য সাজা দিয়ে খালেদা জিয়াকে কারাগারে রাখা হয়। আমরা শুনানি করেছি, আগামীকাল আবার শুনানি অনুষ্ঠিত হবে। আশাকরি তিনি ন্যায় বিচার পাবেন।

এর আগে ১১ নভেম্বর জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় ১০ বছরের সাজার বিরুদ্ধে বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার লিভ টু আপিল (আপিলের অনুমতি চেয়ে করা আবেদন) মঞ্জুর করেন আপিল বিভাগ। একইসঙ্গে খালেদা জিয়াকে দেওয়া ১০ বছরের সাজা স্থগিত করেন আদালত। পাশাপাশি খালেদা জিয়াকে আপিলের সারসংক্ষেপ দুই সপ্তাহের মধ্যে দাখিল করতে নির্দেশ দিয়েছেন সর্বোচ্চ আদালত।

২০১৮ সালের ৮ ফেব্রুয়ারি জিয়া অরফানেজ ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় খালেদা জিয়াকে ৫ বছরের কারাদণ্ডাদেশ দেন বিচারিক আদালত। একইসঙ্গে এ মামলার অন্য পাঁচ আসামির প্রত্যেককে ১০ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। অরফানেজ ট্রাস্টের নামে সরকারি টাকা আত্মসাতের অভিযোগে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়াকে পাঁচ বছরের কারাদণ্ড দেন ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক আখতারুজ্জামান।

একইসঙ্গে এই মামলায় খালেদা জিয়ার ছেলে তারেক রহমানসহ মামলার অপর পাঁচ আসামির প্রত্যেককে ১০ বছর করে সশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। পাশাপাশি ছয় আসামির প্রত্যেককে ২ কোটি ১০ লাখ টাকা করে জরিমানা করা হয়।

বাকি চার আসামি হলেন- সাবেক মুখ্যসচিব কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী, সাবেক এমপি ও ব্যবসায়ী কাজী সালিমুল হক কামাল, ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ ও জিয়াউর রহমানের ভাগনে মমিনুর রহমান। এর মধ্যে পলাতক আছেন তারেক রহমান, কামাল উদ্দিন সিদ্দিকী ও মমিনুর রহমান।

এরপর বিচারিক আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে খালাস চেয়ে হাইকোর্টে আপিল করেন খালেদা জিয়া, কাজী সালিমুল হক কামাল এবং ব্যবসায়ী শরফুদ্দিন আহমেদ। পরে ২০১৮ সালের ৩০ অক্টোবর বিচারপতি এম. ইনায়েতুর রহিম ও বিচারপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ খালেদার সাজা বাড়িয়ে ১০ বছরের কারাদণ্ড দেন। হাইকোর্টের এ রায়ের বিরুদ্ধে লিভ-টু আপিল করেন খালেদা জিয়া।

বাংলাদেশ সময়: ০:০৮:২৪   ১৯১ বার পঠিত  




জাতীয়’র আরও খবর


ইসলামী ব্যাংক নির্বাচনের আগে একটি দলকে ১১ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
বড় বাজেট বড় ঘাটতি,ঋণ নির্ভরতা বাড়ছে
ধর্ষণ মামলার দ্রুত তদন্তে বাধা মেডিকেল রিপোর্ট
নারী-শিশু নির্যাতন মামলা সাজার হার মাত্র তিন শতাংশ
সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় প্রতিষ্ঠা নিয়ে হাইকোর্টের রায় স্থগিত
সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী গুজব, অপতথ্য ঠেকাতে সাইবার সুরক্ষা আইন সংশোধন হচ্ছে
ধর্ষণ-হত্যায় মৃত্যুদণ্ডের সাজা কমেছে হাইকোর্টে বিচার চূড়ান্ত নিষ্পত্তি হয়নি ৯ বছরেও
সংসদীয় দলের সভা শেষে চিফ হুইপ সরকারি সেবার সুফল জনগণের কাছে পৌঁছে দিতে এমপিদের নির্দেশনা দিলেন প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের টেলিফোনের তার চুরি: ২ আসামি ৫ দিনের রিমান্ডে
আদ্-দ্বীন হাসপাতালকে কারণ দর্শানোর নোটিশ স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের

Law News24.com News Archive

আর্কাইভ