![]()
জুলাই আন্দোলনে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী অনিক কুমার দাস হত্যাচেষ্টা মামলায় অবসরপ্রাপ্ত লে. কর্নেল আফজাল নাসেরকে ৩ দিনের রিমান্ড দিয়েছেন আদালত। শুক্রবার (৮ মে) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. রিপন হোসেন তদন্ত কর্মকর্তার আবেদনের প্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন।
এর আগে তদন্তকারী কর্মকর্তা কোতোয়ালি থানার উপপরিদর্শক কেএম আবদুল হক আসামিকে আদালতে হাজির করে ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী শামসুদ্দোহা সুমন বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
গত মঙ্গলবার থেকে ৩ দিনের রিমান্ডে ছিলেন। গত ৩০ মার্চ গ্রেপ্তারের পর থেকে এখন পর্যন্ত বিভিন্ন মামলায় তাকে রিমান্ডে নেওয়া হয়েছে।
মামলার অভিযোগ অনুযায়ী, জুলাই আন্দোলনের সময় ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক পার হয়ে আন্দোলনকারীরা মহানগর দায়রা জজ কোর্টের সামনে এলে আওয়ামী লীগ, যুবলীগ ও ছাত্রলীগ অতর্কিত গুলি চালায়। এতে আহত হন অনিক।
তাকে প্রথমে ন্যাশনাল মেডিকেল হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে তাকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। অপারেশনের পর ২৪ এর ৩১ জুলাই কিছুটা সুস্থ হলে হাসপাতাল ত্যাগ করেন অনিক।
অভিযোগে আরো বলা হয়, মামলার ১নং আসামি শেখ হাসিনা ও ২নং আসামি ওবায়দুল কাদেরের সরাসরি উসকানিতে এবং ৩নং আসামি আসাদুজ্জামান খান কামাল এবং ১৭ নং আসামি আফজাল নাসের পূর্বপরিকল্পিত নির্দেশনায় শিক্ষার্থীদের ওপর নির্বিচারে গুলি চালানো হয়।
এতে জবির অনিক কুমার দাস নামে এক শিক্ষার্থী গুরুতর জখম হন, যার শরীরে এখনো চারটি স্প্লিন্টার রয়েছে। ওই ঘটনায় অনিক কুমার দাস কোতোয়ালি থানায় একটি হত্যাচেষ্টা মামলা করেন।
রিমান্ড আবেদন অনুযায়ী, হামলার প্রকৃত মূল রহস্য উদঘাটন এবং নেপথ্যে থাকা পরিকল্পনাকারীদের শনাক্ত, পলাতক আসামিদের অবস্থান নির্ণয় এবং মামলার গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ও আলামত উদ্ধারের স্বার্থে আসামিকে রিমান্ডে পাঠানো হোক। আবেদনে আরো বলা হয়, প্রাথমিক তদন্তে ১৭ নম্বর আসামি লে. কর্নেল (অব.) আফজাল নাসেরের ঘটনার সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ত থাকার যথেষ্ট প্রমাণ পাওয়া গেছে। তাকে ৩ দিনের রিমান্ডে নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে গেছে।
পূর্ণাঙ্গ তথ্যের জন্য আরো জিজ্ঞাসাবাদ প্রয়োজন।
বাংলাদেশ সময়: ০:১৩:০৮ ২৩ বার পঠিত