![]()
বিভিন্ন দেশ ও সংস্থার পক্ষ থেকেও প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেছে
মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিশ্বনেতারা। বিভিন্ন দেশ ও সংস্থার পক্ষ থেকেও প্রতিক্রিয়া পাওয়া গেছে। স্পেনের প্রধানমন্ত্রী সানচেজ যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের তথাকথিত ‘একতরফা’ সামরিক পদক্ষেপকে প্রত্যাখ্যান করেছেন। প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন ইতালির প্রধানমন্ত্রী জর্জিয়া মেলোনিও। তিনি ইরানের বেসামরিক জনগণের প্রতি সংহতি প্রকাশ করেছেন।
অস্ট্রেলিয়ার প্রধানমন্ত্রী অ্যান্থনি আলবানিস বলেন, তার দেশ নিপীড়নের বিরুদ্ধে সংগ্রামে ইরানের সাহসী জনগণের পাশে আছে। ইরানের শেষ শাহর ছেলে এবং বর্তমান তেহরান সরকারের কট্টর সমালোচক রেজা পাহলভি বলেছেন, এ হামলার পর আমরা চূড়ান্ত বিজয়ের খুব কাছাকাছি। ওয়াশিংটনে নির্বাসিত এই নেতা ইরানিদের উদ্দেশে এ কথা বলেন।
বিশ্বের বিভিন্ন দেশ ও সংস্থার প্রতিক্রিয়া
রাশিয়া :ইরানের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি আক্রমণ বন্ধ করার আহ্বান জানিয়েছে রাশিয়া। ভ্লাদিমির পুতিনের ঘনিষ্ঠ মিত্র সাবেক প্রেসিডেন্ট দিমিত্র মেদভেদেভ বলেন, ‘শান্তিরদূত আরও একবার নিজের আসল চেহারা দেখিয়েছেন। ইরানের সঙ্গে যত আলোচনা সবই ছিল অভিযান আড়াল করার কৌশল।’
কাতার :যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি থাকা কাতার শুরুতে জানিয়েছিল তারা নিরাপদ আছে। পরবর্তীতে দেশটির একজন কর্মকর্তা এএফপি-কে জানান, প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে তারা বেশ কিছু হামলা প্রতিহত করেছে।
ইউরোপীয় ইউনিয়ন :সংস্থাটি সতর্ক করে বলেছে, এ অঞ্চলের পরিস্থিতি অত্যন্ত বিপজ্জনক এবং তারা যে কোনো সংঘাতে বেসামরিক নাগরিকদের সুরক্ষার আহ্বান জানিয়েছে। ইউরোপীয় কমিশনের প্রধান উরসুলা ফন ডার লিয়েন এক্স-এ সব পক্ষকে সংযম প্রদর্শনের অনুরোধ করেছেন।
যুক্তরাজ্য :যুক্তরাজ্য সরকার আশঙ্কা করছে এ হামলাগুলো মধ্যপ্রাচ্যে একটি ব্যাপক সংঘাত উসকে দিতে পারে। সরকারের একজন মুখপাত্র বলেছেন, আমরা এ আঞ্চলিক সংঘাতের আর বিস্তার দেখতে চাই না।
জর্ডান :জর্ডানের সামরিক বাহিনী জানিয়েছে, হামলা চলাকালীন তাদের বিমান বাহিনী রাষ্ট্র এবং জনগণকে রক্ষায় সক্রিয় ছিল। সামরিক বাহিনীর একজন কর্মকর্তা জানান, জর্ডানের ভূখণ্ড লক্ষ্য করে ছোড়া দুটি ব্যালিস্টিক ক্ষেপণাস্ত্র সফলভাবে প্রতিহত করা হয়েছে।
ইউক্রেন :দেশটির পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে বলেছে, বর্তমান পরিস্থিতির মূল কারণ ইরানের শাসনের স্বৈরাচারী আচরণ এবং শান্তিকামী বিক্ষোভকারীদের ওপর দমনপীড়ন।
ফ্রান্স :মধ্যপ্রাচ্যে বেশ কিছু সামরিক ঘাঁটি থাকা ফ্রান্স জানিয়েছে, তাদের মূল অগ্রাধিকার হলো নাগরিকদের নিরাপত্তা। উপ-প্রতিরক্ষামন্ত্রী অ্যালিস রুফো বলেন, আমাদের অগ্রাধিকার হলো নাগরিকদের এবং আমাদের সামরিক বাহিনীর সুরক্ষা নিশ্চিত করা।
আফ্রিকান ইউনিয়ন :সংস্থাটি এ হামলার পর সংযম এবং উত্তেজনা প্রশমনের আহ্বান জানিয়েছে। সংস্থাটির প্রধান মাহমুদ আলী ইউসুফ সতর্ক করে বলেন, এ সংঘাতের বিস্তার বিশ্বজুড়ে অস্থিতিশীলতা তৈরি করবে।
সূত্র : আলজাজিরা ও বিবিসি
বাংলাদেশ সময়: ১৯:৪৮:৩১ ৫৫ বার পঠিত