রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬

কক্সবাজারের গহিন পাহাড়ে অপহরণ ও মানবপাচার চক্রের আস্তানা

প্রথম পাতা » অপরাধ » কক্সবাজারের গহিন পাহাড়ে অপহরণ ও মানবপাচার চক্রের আস্তানা
রবিবার, ৮ নভেম্বর ২০২৬



কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের গহিন পাহাড়ে অন্তত পাঁচ থেকে ছয়টি আস্তানা গেড়েছে অপহরণ ও মানবপাচারকারী চক্র। এসব চক্রের নিয়ন্ত্রণে মিয়ানমারের আরাকান আর্মিতে প্রশিক্ষিত সন্ত্রাসীদের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে। গত বৃহস্পতিবার টেকনাফের রঙ্গিখালী পাহাড়ে যৌথ বাহিনীর অভিযানে সৈনিক মো. তিতাস শেখ (২৭) নিহত হন এবং ৫৬ জন অপহৃত ভুক্তভোগীকে উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার হওয়া ব্যক্তিদের ভাষ্যমতে, তাঁদের কাজের প্রলোভন দেখিয়ে অপহরণ করে অস্ত্রের মুখে জিম্মি রাখা হয়েছিল এবং ভয় দেখানোর জন্য হত্যার ভিডিও ফুটেজ দেখানো হতো।

আমাদের লোহার রড দিয়ে প্রতিদিন নির্যাতন করা হতো। পানি চাইলে পর্যন্ত মারধর করতেন। তাঁরা বলতেন, আমরা মানুষ শিকার করি। এখানে কেউ একটু শব্দ করলে গুলি করে দেব।

উদ্ধার হওয়া ভুক্তভোগীরা আলম, সানাউল্লাহ ওরফে সানা, কালা বাঁশি, শফি উল্লাহ, রবিউল্লাহ, সাদ্দাম, মুহাম্মদ শাহ, হারুন ও হামিদসহ অন্তত আটজনকে শনাক্ত করেছেন। অনুসন্ধানে জানা গেছে, বন্দিশালাগুলো থেকে অপহৃত ব্যক্তিদের এক থেকে দেড় লাখ টাকায় কেনাবেচা করা হয় এবং পরে সাগরপথে মালয়েশিয়ায় পাচারের প্রক্রিয়া চালানো হয়। এই চক্রের সঙ্গে ছৈয়দুল হকসহ মানবপাচারকারী দালালদের যোগসাজশ রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। মেরিন ড্রাইভের বাহারছড়া থেকে নোয়াখালীপাড়া পর্যন্ত প্রায় ২০ কিলোমিটার এলাকা পর্যটকদের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছেন স্থানীয় চালকরা। শনিবার সেনাবাহিনীর নেতৃত্বে পরিচালিত অভিযানে কোনো মরদেহের সন্ধান পাওয়া যায়নি বলে জানিয়েছেন টেকনাফ মডেল থানার ওসি সাইফুল ইসলাম।

বাংলাদেশ সময়: ১৯:১৪:১৫   ২২ বার পঠিত   #  #  #  #  #  #  #