আমদানি করা বিভিন্ন ব্র্যান্ডের মোটরসাইকেলের ফুয়েল ট্যাংক ব্যবহারের তিন থেকে সাড়ে তিন বছরের মধ্যেই মরিচা ধরে ছিদ্র হয়ে যাচ্ছে। সাধারণ ঝালাই দিয়ে তা টেকসই না হওয়ায় চালকদের বাধ্য হয়ে নতুন ট্যাংক লাগাতে হচ্ছে। এই পরিস্থিতিতে যশোরে ফুয়েল ট্যাংক বেচাকেনা, ডেন্টিং ও রং করার একটি বড় বাজার গড়ে উঠেছে। বেনাপোল কাস্টমসের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৩ সালের পর থেকে খুচরা ট্যাংক আমদানি প্রায় পাঁচ গুণ বেড়েছে। গত পাঁচ বছরে (২০২২-২০২৬) প্রায় ৬ লাখ ৩৪ হাজার ২৩টি ট্যাংক আমদানি করা হয়েছে।
তিন বছর আগে কেনা বাইকের তেলের ট্যাংক ফুটো হয়ে গেছে। যশোরে এসে ১০ হাজার ৬০০ টাকা দিয়ে বাজাজ কোম্পানির পালসার মোটরসাইকেলের একটি ট্যাংক কিনলাম।
ব্যবসায়ীদের দাবি, সারা দেশের চাহিদার প্রায় ৯০ শতাংশ যশোর থেকে সরবরাহ করা হয়। তবে ট্যাংক দ্রুত নষ্ট হওয়ার আসল কারণ—জ্বালানি তেলের নিম্নমান নাকি ট্যাংক তৈরিতে ব্যবহৃত ধাতুর নিম্নমান—তা নিয়ে ধোঁয়াশা কাটছে না। বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম ডিলারস, ডিস্ট্রিবিউটরস, এজেন্টস অ্যান্ড পেট্রলপাম্প ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন গত বছরের ১২ অক্টোবর বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনকে (বিপিসি) দেওয়া চিঠিতে পেট্রল ও অকটেনের মান খারাপ হওয়ার অভিযোগ জানিয়েছিল। উত্তরা মোটরসের এমডি মতিউর রহমান দাবি করেন, ট্যাংক তৈরিতে উন্নত মানের ধাতু ব্যবহার করা হয় এবং সমস্যাটি খোলা তেলে ভেজাল মেশানোর কারণে হচ্ছে। বিএসটিআই ও বিটাক জানিয়েছে, বিষয়টি তাদের এখতিয়ারভুক্ত নয়।
বাংলাদেশ সময়: ২০:২২:৫৯ ১৫ বার পঠিত #জ্বালানি তেল #ফুয়েল ট্যাংক #বেনাপোল কাস্টমস #ভেজাল #মোটরসাইকেল #যশোর