ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলে আসন না পাওয়ায় আজিমপুর সরকারি কলোনিতে সাবলেট থাকতেন অনেক শিক্ষার্থী। সরকারি আবাসন পরিদপ্তরের নির্দেশনায় ৩১ অক্টোবরের মধ্যে সাবলেট ও ভাড়াটেদের বাসা ছাড়ার নির্দেশের পর শিক্ষার্থীরা চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন। সরকারি ফ্ল্যাটে সাবলেট পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট সরকারি চাকরিজীবীর বরাদ্দ বাতিলসহ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়ার হুঁশিয়ারি দেওয়া হয়েছে।
সরকারি আবাসন পরিদপ্তরের নির্দেশনা অনুযায়ী, ৩১ অক্টোবরের পর সরকারি ফ্ল্যাটে সাবলেট বা ভাড়াটে পাওয়া গেলে সংশ্লিষ্ট সরকারি চাকরিজীবীর বাসা বরাদ্দ বাতিলসহ শাস্তিমূলক ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার কথা বলা হয়েছে।
এই আকস্মিক সিদ্ধান্তে অনেক শিক্ষার্থী নতুন বাসা খুঁজে পেতে হিমশিম খাচ্ছেন। বিশেষ করে সেমিস্টার ফাইনাল পরীক্ষার ঠিক আগমুহূর্তে বাসা বদলানো, জিনিসপত্র সরানো এবং নতুন পরিবেশে মানিয়ে নেওয়ার চাপে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ও মানসিক স্বাস্থ্যের ওপর নেতিবাচক প্রভাব পড়ছে। অনেক শিক্ষার্থী যাতায়াত ও নিরাপত্তার ঝুঁকি নিয়ে দূরবর্তী স্থানে আশ্রয় নিতে বাধ্য হয়েছেন। এদিকে, কলোনি থেকে শিক্ষার্থীরা বেরিয়ে যাওয়ায় আজিমপুরের ছাত্রী হোস্টেলগুলোতে নতুন করে আবাসনের চাহিদা তৈরি হয়েছে। হোস্টেল মালিকদের দাবি, গত কয়েক বছরে হাজার হাজার ছাত্রী কলোনিতে চলে যাওয়ায় তাদের ব্যবসায় বড় ধরনের লোকসান হয়েছে এবং এখন শিক্ষার্থীরা আবার হোস্টেলে ফিরতে শুরু করেছেন।
বাংলাদেশ সময়: ৭:৩৯:১৬ ২০ বার পঠিত #আজিমপুর কলোনি #আবাসন সংকট #ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় #শিক্ষার্থী #সাবলেট #সেমিস্টার ফাইনাল