যুক্তরাষ্ট্রে প্রতি চার বছর পরপর প্রেসিডেন্ট নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। তবে মেয়াদের দুই বছর পর অনুষ্ঠিত হয় মধ্যবর্তী নির্বাচন বা মিডটার্ম ইলেকশন। আগামী ৩ নভেম্বর ২০২৬ সালে এই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। এই নির্বাচনে প্রেসিডেন্ট পদে কোনো ভোট হয় না, বরং ভোটাররা কংগ্রেসের প্রতিনিধি পরিষদ ও সিনেটের সদস্যসহ বিভিন্ন অঙ্গরাজ্যের জনপ্রতিনিধি নির্বাচন করেন।
- প্রেসিডেন্টের পদত্যাগ নয়: মধ্যবর্তী নির্বাচনে প্রেসিডেন্টের দল পরাজিত হলেও প্রেসিডেন্টকে পদ ছাড়তে হয় না। তিনি চার বছরের নির্ধারিত মেয়াদ শেষ হওয়া পর্যন্ত দায়িত্ব পালন করেন।
- কংগ্রেসে সংখ্যাগরিষ্ঠতা: নির্বাচনে বিরোধী দল প্রতিনিধি পরিষদ বা সিনেটে সংখ্যাগরিষ্ঠতা অর্জন করলে প্রেসিডেন্টের জন্য নতুন আইন প্রণয়ন, বাজেট অনুমোদন এবং সরকারের বিভিন্ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা কঠিন হয়ে পড়ে।
- ক্ষমতার ভারসাম্য: যদিও সাংবিধানিকভাবে প্রেসিডেন্টের ক্ষমতা কমে যায় না, তবে বিরোধী দলের সঙ্গে মতবিরোধের কারণে প্রশাসনিক অচলাবস্থা তৈরি হতে পারে। এছাড়া বিরোধী দল সংখ্যাগরিষ্ঠ হলে প্রেসিডেন্টের প্রশাসনের বিভিন্ন কর্মকাণ্ড নিয়ে তদন্তের উদ্যোগ নিতে পারে।
- অভিশংসন প্রক্রিয়া: শুধু নির্বাচনে পরাজিত হওয়ার কারণে প্রেসিডেন্টকে অভিশংসন করা যায় না। তবে কংগ্রেসে বিরোধী দল সংখ্যাগরিষ্ঠ হলে নির্দিষ্ট সাংবিধানিক শর্ত পূরণ সাপেক্ষে অভিশংসন প্রক্রিয়ার রাজনৈতিক সুযোগ তৈরি হতে পারে।
বাংলাদেশ সময়: ১৩:০৩:১৭ ১৪ বার পঠিত #কংগ্রেস #প্রেসিডেন্ট #মধ্যবর্তী নির্বাচন #যুক্তরাষ্ট্র #রাজনীতি