শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার পূর্ব নাওডোবা ইউনিয়নের আলম খানকান্দি গ্রামটি পদ্মা নদীর ভাঙনে বিলীন হওয়ার ঝুঁকিতে রয়েছে। গত দুই মাসে এই গ্রামে পদ্মার ভাঙনে তিন শতাধিক পরিবারের বসতবাড়ি ও ৬০০ একর ফসলি জমি নদীগর্ভে চলে গেছে। বর্তমানে গ্রামটির আরও ১৫০টি পরিবার এবং একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভাঙনের ঝুঁকিতে রয়েছে।
হঠাৎ উদ্বাস্তু হয়ে গেলাম। কাগজে–কলমে গ্রামটির নাম এখনো আছে। কিছুদিন পর হয়তো এই নামে কোনো গ্রামের অস্তিত্ব আর থাকবে না।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, গত ৩০ বছরে এই এলাকায় বারবার ভাঙনের শিকার হয়েছেন অনেকে। পানি উন্নয়ন বোর্ড (পাউবো) সূত্রে জানা যায়, গত দুই বছরে এই চরের ছয়টি গ্রামের জনসংখ্যা সাড়ে ছয় হাজার থেকে কমে দেড় হাজারে নেমে এসেছে। ভাঙনের কারণে গত এক বছরে ২২ কিলোমিটার বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন ও ৪ কিলোমিটার পাকা সড়ক বিলীন হয়েছে। পাউবোর শরীয়তপুর কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী মিল্টন হোসেন জানান, ভাঙন চর এলাকায় হওয়ায় জরুরি কোনো বরাদ্দ না থাকায় এই মুহূর্তে ভাঙন রোধে ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হচ্ছে না।
বাংলাদেশ সময়: ১৬:১৮:৩৮ ৮ বার পঠিত #জাজিরা #দুর্যোগ #নদীভাঙন #পদ্মা নদী #পানি উন্নয়ন বোর্ড #শরীয়তপুর