রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬

মিটফোর্ডের সোহাগ হত্যা : ২১ আসামির বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ পেছাল

প্রথম পাতা » জেলা জজ কোর্ট » মিটফোর্ডের সোহাগ হত্যা : ২১ আসামির বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ পেছাল
রবিবার, ১৯ জুলাই ২০২৬



মিটফোর্ডের সোহাগ হত্যা : ২১ আসামির বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ পেছাল

রাজধানীর পুরান ঢাকার মিটফোর্ড (স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজ) হাসপাতালের সামনে ভাঙারি ব্যবসায়ী লাল চাঁদ ওরফে সোহাগ (৩৯) হত্যা মামলায় ২১ আসামির বিরুদ্ধে সাক্ষ্যগ্রহণ পিছিয়েছে। আগামী ২৭ জুলাই সাক্ষ্যগ্রহণের নতুন দিন ধার্য করেছেন আদালত।

রবিবার (১৯ জুলাই) দুপুরে ঢাকার প্রথম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ আদালতের ভারপ্রাপ্ত বিচারক মোসাদ্দেক মিনহাজ এ আদেশ দেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী এ এস এম শাহাদাৎ আলী বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, রোববার মামলার সাক্ষ্যগ্রহণের দিন ধার্য ছিল। তবে নির্ধারিত সাক্ষীরা আদালতে উপস্থিত না হওয়ায় সাক্ষ্যগ্রহণ সম্ভব হয়নি।

এদিন মামলার ৯ হাজতি আসামিকে আদালতে হাজির করা হয়। পরে আদালত সাক্ষ্যগ্রহণের জন্য নতুন দিন ধার্য করেন।

এর আগে একই আদালত ২১ আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন।

মামলায় বর্তমানে ৯ আসামি কারাগারে রয়েছেন।

তারা হলেন মাহমুদ হাসান মাহিন ওরফে মাহমুদুল হাসান (মহিন), মো. তারেক রহমান রবিন, মো. টিটন গাজী, মো. আলমগীর, মো. মনির ওরফে লম্বা মনির, মো. নানু কাজী, মো. রিজওয়ান উদ্দীন ওরফে অভিজিৎ বসু, মো. জহিরুল ইসলাম ও মো. সাগর।

এ ছাড়া মো. রুমান ব্যাপারী, মো. আবির হোসেন ও মো. পারভেজ উচ্চ আদালত থেকে জামিনে রয়েছেন। সম্প্রতি সজীব ব্যাপারীও জামিন পেয়েছেন।

মামলার আরো কয়েকজন আসামি পলাতক রয়েছেন। তারা হলেন জহিরুল, মো. ইমরান, মো. শারাফাত ওরফে শফিউল ইসলাম, মো. জিয়াউদ্দিন রাজীব, মো. হোসেন চৌকিদার, মো. সারোয়ার হোসেন টিটু, মো. মঙ্গল মিয়া ওরফে মনির হোসেন এবং অপু দাস।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, গত বছরের ৯ জুলাই সন্ধ্যায় মিটফোর্ড হাসপাতালের ৩ নম্বর গেটসংলগ্ন রজনী ঘোষ লেনে একদল ব্যক্তি ভাঙারি ব্যবসায়ী লাল চাঁদ ওরফে সোহাগকে এলোপাতাড়ি পাথর দিয়ে আঘাত ও ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করে।

এ ঘটনায় পরদিন নিহতের বড় বোন মঞ্জুয়ারা বেগম কোতোয়ালি থানায় ১৯ জনের নাম উল্লেখ করে হত্যা মামলা করেন। মামলায় অজ্ঞাত আরো ১৫ থেকে ২০ জনকে আসামি করা হয়।

প্রায় ছয় মাস তদন্ত শেষে গত বছরের ৮ ডিসেম্বর ২১ জনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন কোতোয়ালি থানার তৎকালীন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মনিরুজ্জামান। তবে তদন্তে ত্রুটি রয়েছে উল্লেখ করে আদালত পুনরায় তদন্তের নির্দেশ দেন।

পরে চলতি বছরের ১০ মে কোতোয়ালি থানার পরিদর্শক শাহ মো. ফয়সাল আহমেদ পুনঃতদন্ত শেষে ২১ জনের বিরুদ্ধে সম্পূরক অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

নিহত লাল চাঁদ কেরানীগঞ্জ মডেল থানার পূর্ব নামাবাড়ি গ্রামের ইউসুফ আলী হাওলাদারের ছেলে। তিনি দীর্ঘদিন ধরে মিটফোর্ড এলাকার রজনী ঘোষ লেনে ভাঙারি ব্যবসা করতেন।

বাংলাদেশ সময়: ২৩:৪২:৫৫   ১৭ বার পঠিত