বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬

বিচারপতিদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন চাকরি হারালেন সুপ্রিম কোর্টের সেই সহকারী রেজিস্ট্রার

প্রথম পাতা » সুপ্রিমকোর্ট » বিচারপতিদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন চাকরি হারালেন সুপ্রিম কোর্টের সেই সহকারী রেজিস্ট্রার
বুধবার, ১৫ জুলাই ২০২৬



বিচারপতিদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন চাকরি হারালেন সুপ্রিম কোর্টের সেই সহকারী রেজিস্ট্রার

ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে সুপ্রিম কোর্ট, প্রধান বিচারপতি ও অন্যান্য বিচারপতিদের সম্পর্কে অগ্রহণযোগ্য ভাষা ব্যবহার করে তাদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় হাইকোর্ট বিভাগের সহকারী রেজিস্ট্রার (দেওয়ানি-১) ইব্রাহীম আলম ভূঁইয়াকে চাকরি থেকে বরখাস্ত (ডিসমিসাল ফ্রম সার্ভিস) করেছে সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসন।

বুধবার (১৫ জুলাই) সুপ্রিম কোর্টের রেজিস্ট্রার জেনারেল মুহাম্মদ হাবিবুর রহমান সিদ্দিকীর সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাময়িক বরখাস্তকৃত সহকারী রেজিস্ট্রার ইব্রাহীম আলম ভূঁইয়ার বিরুদ্ধে দায়ের করা বিভাগীয় মামলায় সুপ্রিম কোর্ট অব বাংলাদেশ (হাইকোর্ট) এমপ্লয়িজ (শৃঙ্খলা ও আপিল) রুলস, ১৯৮৩-এর বিধি ২(৪) ও বিধি ৩(বি) অনুযায়ী আনা অভিযোগ সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত হয়েছে। ফলে বিধি ৪(১)(জি) অনুযায়ী তাকে ১৪ জুলাই থেকে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

এর আগে গত ৫ মে জারি করা পৃথক এক বিজ্ঞপ্তিতে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। ওই বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়েছিল, তিনি ফেসবুক পোস্টের মাধ্যমে সুপ্রিম কোর্ট, প্রধান বিচারপতি ও অন্যান্য বিচারপতিদের সম্পর্কে অগ্রহণযোগ্য ভাষা ব্যবহার করে তাদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছেন।

এছাড়া ব্যক্তিস্বার্থে সুপ্রিম কোর্টের কর্মচারীদের ব্যবহার করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও গণমাধ্যমে প্রতিষ্ঠান, প্রধান বিচারপতি এবং অন্যান্য বিচারপতিদের বিরুদ্ধে মিথ্যা ও অসত্য কুৎসা প্রচারের মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করারও অভিযোগ আনা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, সুপ্রিম কোর্ট প্রশাসনের বৈধ আদেশ পালন না করতে অন্যান্য কর্মচারীদের ইন্ধন দিয়ে তিনি অফিসে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছেন। এসব কর্মকাণ্ড সুপ্রিম কোর্ট অব বাংলাদেশ (হাইকোর্ট) এমপ্লয়িজ (শৃঙ্খলা ও আপিল) রুলস, ১৯৮৩-এর বিধি ২(৪) ও ৩(বি) অনুযায়ী গুরুতর অসদাচরণ এবং অফিস শৃঙ্খলার পরিপন্থী। একই সঙ্গে এসব অপরাধ বিধি ৪(১)-এর আওতাভুক্ত, যার সর্বোচ্চ শাস্তি চাকরি থেকে বরখাস্ত।

অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে প্রথমে তাকে দায়িত্ব থেকে প্রত্যাহার করে প্রশাসন শাখায় সংযুক্ত করা হয়। পরে বিধি ১০(১) অনুযায়ী সাময়িক বরখাস্ত করা হয়। বিভাগীয় তদন্ত শেষে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় এবার তাকে স্থায়ীভাবে চাকরি থেকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

বাংলাদেশ সময়: ২২:০৬:৪৯   ৮ বার পঠিত