![]()
পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে শোচনীয় পরাজয়ের পর বেশ বিপাকে পড়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিবিসির অনলাইন প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ভোটের পর রাজ্যটিতে বিভিন্ন প্রান্ত থেকে যে সমস্ত সংঘর্ষের অভিযোগ উঠেছে, তা নিয়ে হাইকোর্টে দায়ের হওয়া একটি জনস্বার্থ মামলায় মমতা নিজেই হাজির হয়েছেন। তবে আদালত থেকে বের হয়ে আসার সময় ঘটে বিপত্তি।
খবরে বলা হয়েছে, সেই সময় মমতাকে ঘিরে স্লোগান দেয়া নিয়ে এক সময় উত্তপ্ত হয়ে উঠে সেখানকার পরিস্থিতি। সেই সময় পশ্চিমবঙ্গের সাবেক এই মুখ্যমন্ত্রীকে ‘চোর চোর’ বলে স্লোগান দেয়া হয়। এতে ক্রমে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে আদালত চত্বর।
উপস্থিত একাংশের দিকে লক্ষ্য করে মমতা অভিযোগ করে বলেন, ওরা আমাকে মেরেছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওই মামলাটি দায়ের করেছিলেন তৃণমূল কংগ্রেসের পরাজিত প্রার্থী ও আইনজীবী শীর্ষাণ্য ব্যানার্জী। সেই মামলায় আইনজীবী হিসেবে আদালতে সওয়াল করেন মমতা।
এর আগে ভোটার তালিকার স্পেশাল ইন্টেনসিভ রিভিশন (এসআইআর) বা বিশেষ নিবিড় সংশোধনের বিরুদ্ধে দায়ের হওয়া মামলা লড়তে সুপ্রিম কোর্টে আইনজীবীর ভূমিকায় দেখা গিয়েছিল মমতাকে। এরপর আবার বৃহস্পতিবার একই ভূমিকায় দেখা গেলো মমতাকে।
মমতাকে ঘিরে স্লোগান দেয়া নিয়ে তৃণমূল কংগ্রসের তরফে ঘটনার নিন্দা করা হয়েছে। তারা এই ঘটনার জন্য বিজেপিকে দায়ী করেছে।
তবে এর জবাবে বিজেপির শমীক ভট্টাচার্য বলেন, এটা বিজেপির সংস্কৃতি নয়। উনি সাবেক মুখ্যমন্ত্রী, একজন নারী। তাকে দেখলে মানুষ রাস্তায় চোর-চোর স্লোগান দেবে- এই কাজ বিজেপি করে না। এই পরিস্থিতিও বিজেপি তৈরি করেনি।
বার্তা সংস্থা এএনআই জানিয়েছে, মমতা আদালতে বলেছেন ভোটের পরে শিশু, নারী, সংখ্যালঘু কাউকে রেয়াত করা হচ্ছে না। প্রতিদিন এসব অভিযোগ আসছে। ঘর, বাড়ি লুট করছে, আগুন জ্বালাচ্ছে। পুলিশ কিছু করছে না।
পাশাপাশি তিনি অভিযোগ করেছেন, রাজ্যের মানুষকে বাঁচান। এটা উত্তর প্রদেশ নয় বুলডোজার রাজ্য নয়। এটা পশ্চিমবঙ্গ, রাজ্যবাসীকে বাঁচান।
হাইকোর্টে মমতার উপস্থিতি নিয়ে পশ্চিমবঙ্গের নতুন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, আমার অনেক কাজ জানেন তো। এসব নিয়ে ভাবার সময় নেই আমার কাছে। আর আমি এসব নিয়ে ভাবতেও রাজি নই।
বাংলাদেশ সময়: ২২:৫২:১৩ ৪ বার পঠিত