নূর আলী ও তার নির্মাণপ্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ১১৫ কোটি টাকার মানি লন্ডারিংয়ের মামলা

প্রথম পাতা » প্রধান সংবাদ » নূর আলী ও তার নির্মাণপ্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ১১৫ কোটি টাকার মানি লন্ডারিংয়ের মামলা
শনিবার, ৯ মে ২০২৬



নূর আলী ও তার নির্মাণপ্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ১১৫ কোটি টাকার মানি লন্ডারিংয়ের মামলা

ইউনিক গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) নূর আলী ও তার মালিকানাধীন নির্মাণপ্রতিষ্ঠান বোরাক রিয়েল এস্টেটের বিরুদ্ধে ১১৫ কোটি টাকার মানি লন্ডারিংয়ের মামলা করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

বৃহস্পতিবার (৭ মে) রাজধানীর বনানী থানায় মামলাটি করা হয়। সিআইডির গণমাধ্যম শাখার বিশেষ পুলিশ সুপার জসীম উদ্দিন খান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

জসীম উদ্দিন খান বলেন, মামলায় ঢাকার বনানীতে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) নিয়ন্ত্রিত সরকারি জমিতে ‘বনানী সুপার মার্কেট কাম হাউজিং’ প্রকল্পে অনিয়ম, প্রতারণা ও মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগ আনা হয়েছে। অনুমোদনহীন ওই ভবনে হোটেল ব্যবসা পরিচালনার মাধ্যমে আসামিরা অবৈধভাবে ১১৫ কোটি ৫৮ লাখ ২৪ হাজার ৭০৭ টাকা মানি লন্ডারিং করেছেন বলে প্রাথমিক অনুসন্ধানে তথ্যপ্রমাণ পাওয়া গেছে।

এ বিষয়ে সিআইডির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অনুসন্ধানে জানা যায়, বনানী এলাকায় ১৪ তলা ভবন নির্মাণের চুক্তি থাকলেও বোরাক রিয়েল এস্টেট প্রাইভেট লিমিটেড চুক্তির শর্ত ভঙ্গ করে। তারা অনুমোদন ছাড়াই ২৮ তলা ভবন নির্মাণ করে। পরে সেখানে পাঁচ তারকা হোটেল ‘শেরাটন’ প্রতিষ্ঠা করা হয়। অভিযোগ রয়েছে, নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রকল্পের কাজ সম্পন্ন না করে এবং ডিএনসিসিকে প্রাপ্য অংশ বুঝিয়ে না দিয়ে বিভিন্ন সময়ে প্রভাব খাটিয়ে চুক্তি সংশোধন করানো হয়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে সিআইডি বলেছে, অনুসন্ধানে আরও উঠে এসেছে, ভবন নির্মাণের ক্ষেত্রে রাজউক ও বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের প্রয়োজনীয় অনাপত্তিপত্র নেওয়া হয়নি। এতে ভবনের উচ্চতা নির্ধারিত সীমা অতিক্রম করায় উড়োজাহাজ ওঠানামায় ঝুঁকি ও প্রতিবন্ধকতার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে।

সিআইডির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, অনুমোদনহীন ওই ভবনে হোটেল ব্যবসা পরিচালনার মাধ্যমে আসামিরা অবৈধভাবে ১১৫ কোটি ৫৮ লাখ ২৪ হাজার ৭০৭ টাকা আয় করেছেন। পরে তা হস্তান্তর, স্থানান্তর ও রূপান্তরের মাধ্যমে মানি লন্ডারিং করা হয়েছে বলে প্রাথমিক অনুসন্ধানে তথ্য-প্রমাণ পাওয়া গেছে। মামলার তদন্ত চলাকালে বেদখল করা সম্পদের প্রকৃত মূল্য নির্ধারণের পর মানি লন্ডারিং করা অর্থের পরিমাণ আরও বাড়তে পারে।

বর্তমানে মামলাটির তদন্ত কার্যক্রম ফিন্যান্সিয়াল ক্রাইম বিভাগ পরিচালনা করছে বলে জানায় সিআইডি। সংস্থাটি বলেছে, অপরাধের পূর্ণাঙ্গ তথ্য উদ্ঘাটনসহ আসামিদের গ্রেফতার করার স্বার্থে সিআইডির তদন্ত ও অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

গত বছরের সেপ্টেম্বরে নূর আলীসহ ১৪ জনের বিরুদ্ধে রাজধানীর গুলশান থানায় মানি লন্ডারিং আইনে আরেকটি মামলা করে সিআইডি। এই মামলায় মালয়েশিয়ায় কর্মী পাঠিয়ে সংঘবদ্ধ প্রতারণার মাধ্যমে ৪০ কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগ করা হয়।

বাংলাদেশ সময়: ২২:৪১:২১   ২৩ বার পঠিত  




প্রধান সংবাদ’র আরও খবর


হান্টাভাইরাসে আক্রান্ত ছয়জন, মহামারি নিয়ে ডব্লিউএইচও’র বার্তা
মধ্যরাতে উত্তাল ইডেন মহিলা কলেজ
একসময় আইনজীবীরা সংসদে যেতেন, এখন ব্যবসায়ীরা যাচ্ছেন: মহসিন রশিদ
গৃহবিবাদে বিদ্ধ তৃণমূল কংগ্রেস, মমতাও দিশেহারা
ডার্ক ওয়েবভিত্তিক মাদক ব্যবসা নিয়ে দুশ্চিন্তা
সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল ১৮ জুন
নূর আলী ও তার নির্মাণপ্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে ১১৫ কোটি টাকার মানি লন্ডারিংয়ের মামলা
ন্যায়বিচার নিশ্চিতে বিচারকদের সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে: আইনমন্ত্রী
দুর্নীতি ও ঘুষ নেওয়ার দায়ে চীনের দুই সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রীর মৃত্যুদণ্ড
হাম ও উপসর্গ নিয়ে আরও ৭ জনের মৃত্যু

Law News24.com News Archive

আর্কাইভ