আগামী সংসদ নির্বাচনে লড়তে চান পলক

প্রথম পাতা » জাতীয় » আগামী সংসদ নির্বাচনে লড়তে চান পলক
বুধবার, ৮ অক্টোবর ২০২৫



আগামী সংসদ নির্বাচনে লড়তে চান পলক

গত বছরের ৫ আগস্টে আওয়ামী লীগ সরকার পতনের পর জুলাই গণঅভ্যুত্থানে হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে আছেন সাবেক তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। প্রথম দিকে খারাপ লাগা ও মন খারাপ লাগার বিষয়ে প্রায় আদালতে গণমাধ্যমকে জানাতেন তিনি। তবে এখন বন্দি থেকে আর মন খারাপ হয় না পলকের। মানিয়ে নিয়েছেন কারাগারে। আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন পলক।

বুধবার (৮ সেপ্টেম্বর) ঢাকার সিএমএম আদালতে একটি মামলার শুনানির জন্য এজলাসে উঠানোর সময় তিনি এ কথা বলেন।

জুলাই আন্দোলনকে কেন্দ্র করে রাজধানীর বনানী থানায় মো. শাহজাহান নামে এক ব্যক্তি হত্যা মামলায় ওয়ার্কার্স পার্টির সভাপতি ও সাবেক মন্ত্রী রাশেদ খান মেনন, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের সাবেক মেয়র আতিকুল ইসলাম, সাবেক বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গাজী গ্রুপের চেয়ারম্যান গোলাম দস্তগীর গাজী ও সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলককে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। পুলিশের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সাদেকুর রহমান এ আদেশ দেন।

এদিন সকাল সাড়ে ৯টার দিকে আসামিদের কারাগারে থেকে আদালতে হাজির করে পুলিশ। এরপর সিএমএম আদালতের হাজতখানায় রাখা হয়। সকাল ১০টা ৫৫ মিনিটের দিকে পুলিশের কঠোর নিরাপত্তায় মাথায় হেলমেট, বুকে বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট পরিয়ে তাদের এজলাসে ওঠানো হয়।

এজলাসে ওঠানোর সময় সাংবাদিকদের উদ্দেশে সাবেক আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক বলেন, সব কিছুরই শেষ আছে।

এ সময় এক সাংবাদিক জানতে চান সামনে তো নির্বাচন, আপনি কি নির্বাচনে অংশ নেবেন? তখন মাথা নাড়িয়ে ‘হ্যাঁ’ সূচক ইচ্ছা প্রকাশ করেন পলক।

এদিন পুলিশ তাদের সিএমএম আদালতের পাঁচতলার এজলাসে ওঠায়। এরপর তাদের কাঠগড়ার ভেতর নেওয়া হয়। সেখান দায়িত্বরত পুলিশ সদস্য তাদের মাথার হেলমেট, বুকে বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট খুলে দেন। এ সময় তারা আইনজীবীদের সঙ্গে বিভিন্ন বিষয়ে কথা বলতে থাকেন।

এ সময় পলক তার আইনজীবীকে বলেন, আমি ভালো আছি। মানসিকভাবে শক্ত আছি। মনে থেকে উজ্জীবিত রয়েছি। আগে মন খারাপ থাকলেও এখন আর মন খারাপ হয় না। নিজেকে মানিয়ে নিয়েছি।

পরে সকাল ১১টা ৮ মিনিটে বিচারক এজলাসে ওঠেন। এরপর মামলার তদন্ত কর্মকর্তা বনানী থানার উপ-পরিদর্শক মো. ইয়াছির আরাফাত তাদের এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো বিষয়ে যুক্তি তুলে ধরেন। এরপর রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী মুহাম্মদ শামসুদ্দোহা সুমন আসামিদের এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানোর আবেদন শুনানি করেন।

শুনানি শেষে আদালত তাদের এই মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো আবেদন মঞ্জুর করেন। এরপর আবারও তাদের তাদের মাথায় হেলমেট, বুকে বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট পড়িয়ে এজলাসে থেকে হাজতখানায় নেওয়া হয়।

জানা যায়, বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলাকালে গত বছরের ১৯ জুলাই ঢাকার এক কারখানার কর্মী মো. শাহজাহান বনানী থানাধীন মহাখালী ফ্লাইওভারের নিচে শান্তিপূর্ণ মিছিলে অংশ নেন। এ সময় আওয়ামীলীগ ও তার অঙ্গ সংগঠনের নেতাকর্মীরা মিছিলে দেশীয় অস্ত্রসহ আগ্নেয়াস্ত্র দিয়ে গুলিবর্ষণ করে। এ সময় ভিকটিম শাহজাহান বুকে ও পেটে দুইটি গুলিবিদ্ধ হন। চার দিন ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

এ ঘটনায় ১৮ ডিসেম্বর ভিকটিমের মা সাজেদা বনানী থানায় ৯৭ জনের নামোল্লেখ করে আসামি করে হত্যা মামলা করেন।

বাংলাদেশ সময়: ২৩:২৮:১৩   ২০৩ বার পঠিত  




জাতীয়’র আরও খবর


সচিব কমিটির সুপারিশ সরকারি চাকরিজীবীর বেতন ১০০% পর্যন্ত বাড়তে পারে
একযোগে ৩৮ বিচারককে বদলি
পিতা-মাতার ভরণপোষণ না করলে বিদ্যমান আইনে কী শাস্তি
পে-স্কেল নিয়ে নতুন জল্পনা, গেজেট নিয়ে যা জানা গেলো
অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তে দুদকের অনুসন্ধান চান সালাহউদ্দিন
ইসলামী ব্যাংক নির্বাচনের আগে একটি দলকে ১১ হাজার কোটি টাকা দিয়েছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
বড় বাজেট বড় ঘাটতি,ঋণ নির্ভরতা বাড়ছে
ধর্ষণ মামলার দ্রুত তদন্তে বাধা মেডিকেল রিপোর্ট
নারী-শিশু নির্যাতন মামলা সাজার হার মাত্র তিন শতাংশ
সুপ্রিম কোর্ট সচিবালয় প্রতিষ্ঠা নিয়ে হাইকোর্টের রায় স্থগিত

Law News24.com News Archive

আর্কাইভ