যশোরের মনিরামপুর উপজেলার মুন্সিখানপুর গ্রামের বাসিন্দা মো. মাসুদুর রহমান দীর্ঘদিন ধরে কিডনিজনিত জটিল রোগে আক্রান্ত। কমিউনিটি ক্লিনিকের হেলথ প্রোভাইডার হিসেবে কর্মরত মাসুদুর রহমানের চিকিৎসার জন্য কিডনি প্রতিস্থাপনের সিদ্ধান্ত নিয়েছেন চিকিৎসকরা। দাতা হিসেবে তার মা কিডনি দিতে সম্মত হয়েছেন এবং প্রাথমিক পরীক্ষা-নিরীক্ষা সম্পন্ন হয়েছে। তবে কিডনি প্রতিস্থাপনের পরবর্তী ধাপের জন্য প্রয়োজনীয় ‘ডিটিপিএ রেনোগ্রাম উইথ স্প্লিট ফাংশন অ্যান্ড জিএফআর’ পরীক্ষাটি করাতে না পারায় চিকিৎসা কার্যক্রম থমকে গেছে।
মাসুদুর রহমানের ছোট ভাই সাংবাদিক নূরে আলম সিদ্দিকী জুয়েল জানান, দেশের সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন হাসপাতালে খোঁজ করেও পরীক্ষাটি করানোর কোনো ব্যবস্থা পাওয়া যায়নি। পরীক্ষাটি বিদেশে পাঠানোর সুযোগ নেই, কারণ দাতাকে সরাসরি উপস্থিত থেকে এটি সম্পন্ন করতে হয়। নিয়মিত ডায়ালাইসিস ও ওষুধের খরচ বহন করতে গিয়ে পরিবারটি কঠিন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। জরুরি এই পরীক্ষার ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে তিনি প্রধানমন্ত্রী ও স্বাস্থ্যমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছেন।
বাংলাদেশ সময়: ২০:২৬:৩৭ ১৫ বার পঠিত #কিডনি প্রতিস্থাপন #চিকিৎসা #যশোর #স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় #স্বাস্থ্যসেবা