কক্সবাজারের উখিয়ার থাইংখালী রোহিঙ্গা আশ্রয়শিবিরের (ক্যাম্প-২০) একটি কারখানায় প্রতিদিন গড়ে ১৫ হাজার সাবান উৎপাদিত হচ্ছে। চলতি বছরের জানুয়ারিতে চালু হওয়া এই কারখানাটিতে এ পর্যন্ত প্রায় সাত লাখ সাবান উৎপাদন করা হয়েছে, যা রোহিঙ্গা শরণার্থীদের লন্ড্রি ও শৌচাগারের কাজে ব্যবহারের জন্য বিনা মূল্যে সরবরাহ করা হয়।
কারখানাটি পরিচালনা করছে বেসরকারি সংস্থা পালস। আন্তর্জাতিক অভিবাসন সংস্থার (আইওএম) সহায়তায় এবং যুক্তরাজ্যের ফরেন, কমনওয়েলথ অ্যান্ড ডেভেলপমেন্ট অফিসের (এফসিডিও) অর্থায়নে এই উদ্যোগ বাস্তবায়িত হচ্ছে।
মঙ্গলবার দুপুরে জাতিসংঘ মহাসচিবের মিয়ানমারবিষয়ক বিশেষ দূত জুলি বিশপের নেতৃত্বে পাঁচ সদস্যের একটি প্রতিনিধিদল কারখানাটি পরিদর্শন করেন। প্রতিনিধিদলে আরও উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে জাতিসংঘের আবাসিক সমন্বয়ক ক্যারল ফ্লোর-স্মেরেজনিয়াক এবং ইউএনএইচসিআরের ভারপ্রাপ্ত প্রতিনিধি জুলিয়েট মুরেকেইসোনি। পরিদর্শনকালে জুলি বিশপ রোহিঙ্গা শরণার্থী ও স্থানীয় জনগোষ্ঠীর জীবিকার সুযোগ এবং আত্মনির্ভরশীলতা বৃদ্ধিতে সহায়ক এই উদ্যোগের প্রশংসা করেন। পালসের নির্বাহী পরিচালক আবু মোরশেদ চৌধুরী জানান, কারখানায় ৩৬ জন স্বেচ্ছাসেবী কাজ করছেন এবং উৎপাদিত লন্ড্রি ও টয়লেট সাবান বাংলাদেশ স্ট্যান্ডার্ডস অ্যান্ড টেস্টিং ইনস্টিটিউশনের (বিএসটিআই) অনুমোদিত।
বাংলাদেশ সময়: ৮:৫২:১৬ ২৪ বার পঠিত #উখিয়া #কক্সবাজার #জাতিসংঘ #জুলি বিশপ #রোহিঙ্গা #শরণার্থী #সাবান কারখানা