রিমান্ড শেষে কারাগারে সেই হরিদাস

প্রথম পাতা » জেলা জজ কোর্ট » রিমান্ড শেষে কারাগারে সেই হরিদাস
বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬



রিমান্ড শেষে কারাগারে সেই হরিদাস

অর্থপাচার মামলায় রাম বিগ্রহ নির্মাণের উদ্যোক্তা হরিদাস চন্দ্র তরণী দাসকে রিমান্ড শেষে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) ঢাকার অতিরিক্ত মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট জশিতা ইসলাম জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এদিন রিমান্ড শেষে তাকে আদালতে হাজির করা হয়। পরে সিআইডি পুলিশের ইন্সপেক্টর কে এম রাকিবুল হুদা তাকে কারাগারে আটক রাখার আবেদন করেন।

ওই আবেদনে উল্লেখ করা হয়, বিধি মোতাবেক ব্যাপক জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদে তার নিকট থেকে মামলার ঘটনার বিষয়ে তার ব্যাংক হিসাব/এমএফএস হিসাবগুলোতে কারা/কী কারণে অর্থ জমা প্রদান করেছে এবং জমাকৃত অর্থ কার নিকট হস্তান্তর/কোথায় কিভাবে ব্যয় করা হয়েছে, সে বিষয়ে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে।

তথ্যগুলো মানি লন্ডারিং মামলার তদন্ত কাজে সহায়ক হবে।

আবেদনে আরো বলা হয়, আসামির দেওয়া তথ্যগুলো যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। মামলার তদন্ত অব্যাহত। তদন্ত সমাপ্ত না হওয়া পর্যন্ত তাকে জেলহাজতে আটক রাখা একান্ত প্রয়োজন।

আসামি জামিনে মুক্তি পেলে মামলার তদন্তে ব্যাঘাত ঘটবে।

আসামিপক্ষে শ্যামল কুমার রায় জামিন চেয়ে শুনানি করেন। শুনানি শেষে আদালত তার জামিন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।

এর আগে গত ১২ জুলাই ৯ কোটি ৩৫ লাখ টাকা অর্থপাচারের অভিযোগে উত্তরা পশ্চিম থানায় মামলা করে সিআইডির ফাইন্যান্সিয়াল ক্রাইম ইউনিটের এসআই সাইফুল ইসলাম। মামলা দায়েরের দিন রাত সাড়ে ১২টার দিকে গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার হোসেনপুর ইউনিয়নের মধ্য রামচন্দ্রপুর গ্রামের রাধা গোবিন্দ ও কালী মন্দির এলাকা থেকে তাকে গ্রেপ্তার করে গোয়েন্দা পুলিশ।

পরদিন ১৩ জুলাই জিজ্ঞাসাবাদের জন্য তার চার দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন আদালত।

মামলার বিবরণে বলা হয়েছে, হরিদাস চন্দ্র তরণী দাস গাইবান্ধার পলাশবাড়ীর আলোচিত শ্রী শ্রী রাধা গোবিন্দ কালী মন্দিরের প্রতিষ্ঠাতা। অনুসন্ধানের অভিযোগ পর্যালোচনায় জানা যায়, হরিদাস চন্দ্র তরণী একজন সাধারণ ব্যবসায়ী এবং তিনি ব্যবসার আড়ালে দেশি-বিদেশি মুদ্রা পাচারসহ হুন্ডি ব্যবসার সঙ্গে জড়িত।

তার নামে থাকা ৯ ব্যাংক হিসাব ও অন্যান্য কাগজপত্র বিশ্লেষণে জানা যায়, তার ব্যাংক হিসাবে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে বিভিন্ন তারিখ ও সময়ে বিভিন্ন ব্যক্তি ব্যবসাবহির্ভভূত নগদ অর্থ জমা হয়েছে। হরিদাস চন্দ্র তরণীসহ অজ্ঞাতনামা ২-৩ জনের একটি সংঘবদ্ধ চক্র হুন্ডি তথা ‘দেশি-বিদেশি মুদ্রা পাচার’ করতেন। ৯ কোটি ৩৫ লাখ টাকা অপরাধলব্ধ অর্থ অর্জনসহ অর্জিত টাকা স্থানান্তর, হস্তান্তর ও রূপান্তরের মাধ্যমে অপরাধলব্ধ আয়ের অবৈধ প্রকৃতি, উৎস, অবস্থান, মালিকানা গোপন করেছে।

বাংলাদেশ সময়: ২৩:০৬:১৮   ১৬৭ বার পঠিত  




জেলা জজ কোর্ট’র আরও খবর


দুর্নীতির মামলায় আবেদ আলীর ছেলে সিয়ামের চার বছরের কারাদণ্ড
সাবেক মার্কিন রাষ্ট্রদূতের গাড়িবহরে হামলার মামলায় ১০ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ
বিএনপি কর্মী হত্যাচেষ্টা মামলায় মৌলভীবাজারের সাবেক এমপি সুলতান মনসুর গ্রেপ্তার
রবীন্দ্রনাথের গ্রাফিতি মোছার চেষ্টা: রিমি ও সুজন কারাগারে
নিউ গিনি প্রোপার্টিজে হামলা ও ভাঙচুরের মামলায় প্রধান আসামির জামিন
রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যানসহ ৮ জনের ১৪ বছরের কারাদণ্ড
প্লট বরাদ্দে দুর্নীতি নিউগিনি প্রপার্টিজে হামলা ও ভাঙচুর: প্রধান আসামির জামিন
জুলাই হত্যা মামলায় সাবেক এমপি হাসনাত আবদুল্লাহর ছেলে মঈনউদ্দিন ফের গ্রেপ্তার
ব্লগার নিলয় হত্যা মামলায় সাক্ষ্য দিলেন ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক
এমপি গাজী নজরুলের জামিন আবেদন নামঞ্জুর

Law News24.com News Archive

আর্কাইভ