সাবেক এমপি লায়লা পারভীন সেঁজুতি ফের হত্যা মামলায় গ্রেফতার

প্রথম পাতা » প্রধান সংবাদ » সাবেক এমপি লায়লা পারভীন সেঁজুতি ফের হত্যা মামলায় গ্রেফতার
সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬



সাবেক এমপি লায়লা পারভীন সেঁজুতি ফের হত্যা মামলায় গ্রেফতার

সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) ও সাতক্ষীরা জেলা আওয়ামী লীগের শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক লায়লা পারভীন সেঁজুতিকে আরও একটি হত্যা মামলায় ‘শোন অ্যারেস্ট’ দেখানোর আদেশ দিয়েছেন আদালত।

সোমবার (১৩ জুলাই) সাতক্ষীরার অতিরিক্ত চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট বিলাস মণ্ডলের আদালত মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সদর থানার এসআই অনাথ মিত্রের আবেদনের শুনানি শেষে তাকে গ্রেফতার (শোন অ্যারেস্ট) দেখানোর আবেদন মঞ্জুর করেন।

আদালত সূত্রে জানা যায়, ২০১৫ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি যশোরের পিকনিক কর্নারের সামনে শহিদুল ইসলাম হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় দায়ের হওয়া সাতক্ষীরা সদর থানার মামলা নং-১৪ (তারিখ: ৪ সেপ্টেম্বর ২০২৪), জিআর নং-৪০৩/২৪-এর সন্দেহভাজন আসামি হিসেবে লায়লা পারভীন সেঁজুতিকে গ্রেফতার দেখানো হয়েছে। মামলাটি দণ্ডবিধির ৪৬৪/৩০২/২০১/১৪৯/৩৪ ধারায় রুজু করা হয়।

সাবেক এমপি লায়লা পারভীন সেঁজুতি ফের হত্যা মামলায় গ্রেফতার

এর আগে, ২০২৫ সালের ২০ মে রাতে সাতক্ষীরা শহরের রাধানগর এলাকার নিজ বাসা থেকে তাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। প্রথমে বিশেষ ক্ষমতা আইনের একটি মামলায় তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। পরবর্তীতে একাধিক মামলায় পর্যায়ক্রমে তাকে ‘শোন অ্যারেস্ট’ দেখানো হয়। এর মধ্যে দণ্ডবিধির বিভিন্ন ধারায় দায়ের হওয়া সহিংসতা ও হত্যা-সংক্রান্ত মামলাও রয়েছে।

লায়লা পারভীন সেঁজুতির আইনজীবী প্যানেলের সদস্য অ্যাডভোকেট আল মাহামুদ পলাশ জানান, সর্বশেষ একটি মামলায় গত ৩ জুন ২০২৬ হাইকোর্ট তার জামিন মঞ্জুর করেন। রাষ্ট্রপক্ষ জামিন স্থগিত চেয়ে আপিল বিভাগের চেম্বার আদালতে আবেদন করলেও আদালত ‘নো অর্ডার’ দেন। পরে জামিননামা সম্পন্ন হওয়ার পরও তাকে ধারাবাহিকভাবে আরও কয়েকটি মামলায় ‘শোন অ্যারেস্ট’ দেখানো হয়েছে। তিনি দাবি করেন, ২৫ জুন ও ৯ জুলাই ২০২৬ তারিখে দায়রা জজ আদালত পৃথক দুটি মামলায়ও তাকে অন্তর্বর্তীকালীন জামিন প্রদান করেন।

বর্তমান মামলার বাদী কাশেমপুর গ্রামের বাসিন্দা মো. ইমদাদুল হক। তিনি গত ২৮ আগস্ট ২০২৪ সাতক্ষীরা ১ নম্বর আমলি আদালতে মামলাটি দায়ের করেন। আদালতের নির্দেশে পরে এটি সদর থানায় এফআইআর হিসেবে রেকর্ড করা হয়।

মামলার এজাহারে অভিযোগ করা হয়েছে, বাদীর ভাই শহিদুল ইসলাম, যিনি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সক্রিয় কর্মী ছিলেন, তাকে ২০১৫ সালের ৬ ফেব্রুয়ারি রাতে বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে যশোরের পিকনিক কর্নারের সামনে গুলি করে হত্যা করা হয়। অভিযোগে তৎকালীন পুলিশ সুপারসহ ৩২ জনের নাম উল্লেখ করা হয়েছে। এজাহারে আরও বলা হয়েছে, সে সময় ঘটনাটি যথাযথভাবে তদন্ত করা হয়নি এবং হত্যা মামলা গ্রহণে পুলিশ গড়িমসি করে। বর্তমান পরিস্থিতিতে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ও সাক্ষ্য-প্রমাণ সংগ্রহের পর মামলা দায়ের করা হয়েছে বলে বাদী উল্লেখ করেছেন।

বাংলাদেশ সময়: ২৩:৩৭:৫৯   ২১ বার পঠিত  




প্রধান সংবাদ’র আরও খবর


ইরানে ফের মার্কিন নৌ অবরোধ, জাহাজ থেকে টোল আদায়ের ঘোষণা ট্রাম্পের
সংবিধান সংশোধনে বিশেষ কমিটি গঠন, বিরোধী দলের ওয়াকআউট
‘চোরের দলের খেলা কবে’ সার্চ করলেই যা দেখাচ্ছে গুগলে
একাধিক বিস্ফোরণে আবারো কাঁপল ইরান
কিশোরদের মানসিক স্বাস্থ্যসেবায় ৯২ শতাংশ চিকিৎসা ঘাটতি
সাবেক এমপি লায়লা পারভীন সেঁজুতি ফের হত্যা মামলায় গ্রেফতার
মজার বাজি ইংল্যান্ডের জয়ে ২৪ ঘণ্টার জন্য লোগো বদলালো নরওয়েজিয়ান এয়ার
পশ্চিমবঙ্গ ও ত্রিপুরায় বাংলাদেশিদের ভ্রমণ স্থগিতের দাবি, সরকারকে আইনি নোটিশ
সোশ্যাল মিডিয়ার তথ্য গোপনে মিলবে না মার্কিন ভিসা
অনলাইন জুয়া ও অর্থপাচার চক্রের দু’জন গ্রেপ্তার

Law News24.com News Archive

আর্কাইভ