সোমবার, ৮ জুন ২০২৬

শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলার পেপারবুক হাইকোর্টে, শিগগির শুনানি

প্রথম পাতা » সুপ্রিমকোর্ট » শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলার পেপারবুক হাইকোর্টে, শিগগির শুনানি
সোমবার, ৮ জুন ২০২৬



শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলার পেপারবুক হাইকোর্টে, শিগগির শুনানি

মাগুরার আলোচিত শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত প্রধান আসামি হিটু শেখের মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন ও আসামির আপিল শুনানির জন্য পেপারবুক প্রস্তুত হয়েছে। সরকারি ছাপাখানা থেকে ছাপানো সেই পেপারবুক হাইকোর্টের ডেথ রেফারেন্স শাখায় পৌঁছেছে।

সোমবার (৮ জুন) ডেথ রেফারেন্স শাখার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বিষয়টি গণমাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।

খুব শিগগিরই হাইকোর্টের বিশেষ বেঞ্চে এই মামলার শুনানি হবে বলে জানা গেছে।

অ্যাটর্নি জেনারেল ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল বলেন, নারী ও শিশু নির্যাতন সংক্রান্ত মামলা শুনানির জন্য প্রধান বিচারপতি বিশেষ বেঞ্চ গঠন করে দেবেন। বিশেষ বেঞ্চেই শিশু রামিসা, আছিয়ার মতো চাঞ্চল্যকর হত্যা ও ধর্ষণ মামলার শুনানি হবে।

সূত্র জানায়, এখন আনুষঙ্গিক প্রক্রিয়াগুলো চলছে। সংশ্লিষ্ট শাখার কার্যক্রম ও আনুষঙ্গিক প্রক্রিয়া শেষে পরবর্তী পদক্ষেপ নেওয়া হবে। এরপর বেঞ্চ নির্ধারণ করে দেবেন প্রধান বিচারপতি।

মাগুরায় আলোচিত শিশু আছিয়া ধর্ষণ ও হত্যা মামলায় গত বছরের ১৭ মে রায় দেন মাগুরা নারী ও শিশু নির্যাতন দমন ট্রাইব্যুনাল। রায়ে শিশুটির বোনের শ্বশুর হিটু শেখকে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়। এ ছাড়া বাকি তিন আসামিকে খালাস দেওয়া হয়।

আসামির মৃত্যুদণ্ডাদেশ অনুমোদনের (ডেথ রেফারেন্স) জন্য বিচারিক আদালতের রায়সহ যাবতীয় নথি গত বছরের ২১ মে হাইকোর্টের ডেথ রেফারেন্স শাখায় পৌঁছায়, যা ডেথ রেফারেন্স হিসেবে নম্বরভুক্ত হয়।

ফৌজদারি কোনো মামলায় আসামির মৃত্যুদণ্ড কার্যকরে হাইকোর্টের অনুমোদন লাগে, যা ডেথ রেফারেন্স (মৃত্যুদণ্ড অনুমোদন) মামলা হিসেবে পরিচিত। এ অনুসারে মৃত্যুদণ্ড অনুমোদনের জন্য বিচারিক আদালতের রায় ও নথিপত্র হাইকোর্টে পাঠানো হয়। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দণ্ডিত আসামি রায়ের বিরুদ্ধে জেল আপিল ও আপিল করতে পারেন। এ ছাড়া আসামির বিবিধ আবেদনও করার সুযোগ রয়েছে।

সাধারণত ডেথ রেফারেন্স, আসামিদের জেল আপিল, আপিল ও বিবিধ আবেদনের ওপর একসঙ্গে শুনানি হয়ে থাকে। তবে শুনানির পূর্বপ্রস্তুতি হিসেবে পেপারবুক (মামলার বৃত্তান্ত) প্রস্তুত করতে হয়। এতে মামলার এজাহার, অভিযোগ গঠন, সাক্ষীদের বক্তব্য, বিচারিক আদালতের রায়সহ বৃত্তান্ত সন্নিবেশিত থাকে।

মাগুরার আলোচিত ওই মামলায় বিচারিক আদালতের রায়ের বিরুদ্ধে গত বছরের ২৫ জুন হাইকোর্টে আপিল করেন হিটু শেখ। এই আপিলের গ্রহণযোগ্যতার ওপর শুনানি নিয়ে গত বছরের ১ জুলাই হাইকোর্ট আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করেন। পাশাপাশি বিচারিক আদালতের রায়ে তাকে দেওয়া অর্থদণ্ড স্থগিত করা হয়।

বাংলাদেশ সময়: ২৩:৪৭:০২   ৯ বার পঠিত