বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬

১২৫ বার পেছাল সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ

প্রথম পাতা » জেলা জজ কোর্ট » ১২৫ বার পেছাল সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ
বৃহস্পতিবার, ২ এপ্রিল ২০২৬



১২৫ বার পেছাল সাগর-রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিলের তারিখ

সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যা মামলার তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার সময় আরো একবার পেছাল । এ নিয়ে প্রতিবেদন দাখিলের দিন ১২৫ বার পেছাল। গতকাল বুধবার ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম প্রতিবেদন দাখিলের জন্য আগামী ৭ মে দিন ধার্য করেছেন । এদিকে, গতকাল আদালতের নির্দেশে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা তদন্ত প্রতিবেদন দিতে না পারার ব্যাখ্যা দিয়েছেন । এর আগে, গত ৯ ফেব্রুয়ারি প্রতিবেদন না দেওয়ায় তদন্তকর্তাকে ব্যাখা দিতে নির্দেশ দিয়েছিল আদালত।

গতকাল ধার্য তারিখে তদন্ত প্রতিবেদন না দিতে পারার ব্যাখা দিতে সশরীরে আদালতে হাজির হন তদন্তকর্তা পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশনের (পিবিআই) অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. আজিজুল হক। তদন্ত কর্মকর্তা আদালতকে দুই পাতার লিখিত ব্যাখা দিয়েছেন। ব্যাখ্যায় তিনি বলেছেন, এ মামলা নিয়ে যে টাস্কফোর্স গঠন হয়েছে, সেই টাস্কফোর্সে তদন্ত কর্মকর্তা ছাড়াও আরো সদস্য আছেন। সে কারণে প্রতিবেদন দিতে একটু বিলম্ব হচ্ছে, আগামী ধার্য তারিখে প্রতিবেদন জমা দেওয়ার কথা আদালতকে বলেছেন তদন্ত কর্মকর্তা।

২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সরওয়ার ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনিকে হত্যা করা হয়। নিহত রুনির ভাই নওশের আলম রোমান শেরেবাংলা নগর থানায় এ হত্যা মামলাটি দায়ের করেন । এ মামলার আসামিরা হলেন—রফিকুল ইসলাম, বকুল মিয়া, মাসুম মিন্টু, কামরুল ইসলাম ওরফে অরুণ, আবু সাঈদ, সাগর-রুনির বাড়ির দুই নিরাপত্তারক্ষী পলাশ রুদ্র পাল ও এনায়েত আহমেদ এবং তাদের ‘বন্ধু’ তানভীর রহমান খান । এদের মধ্যে তানভীর জামিনে রয়েছেন । পলাশ রুদ্র পাল জামিনে গিয়ে পলাতক হয়েছেন। অপর আসামিরা কারাগারে রয়েছেন ।

প্রথমে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ছিলেন ঐ থানার এক উপ-পরিদর্শক (এসআই)। চারদিন পর চাঞ্চল্যকর এই হত্যা মামলার তদন্তভার ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) কাছে হস্তান্তর করা হয়। দুই মাসেরও বেশি সময় তদন্ত করে রহস্য উদ্ঘাটনে ব্যর্থ হয় ডিবি। পরে হাইকোর্টের নির্দেশে একই বছরের ১৮ এপ্রিল হত্যা মামলাটির তদন্তভার র‍্যাবের কাছে হস্তান্তর করা হয় । গত বছরের ৩০ সেপ্টেম্বর মামলার তদন্তের দায়িত্ব থেকে র‍্যাবকে বাদ দিয়ে বিভিন্ন বাহিনীর অভিজ্ঞ তদন্ত কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন টাস্কফোর্স গঠন করে এ তদন্ত কাজ শেষ করতে ছয় মাস বেধে দেয় হাইকোর্ট। এরপর ১৭ অক্টোবর হাইকোর্টের নির্দেশে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের জননিরাপত্তা বিভাগ থেকে টাস্কফোর্স গঠন করে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয় । পিবিআই প্রধানকে আহ্বায়ক করে চার সদস্যের এই উচ্চপর্যায়ের টাস্কফোর্স কমিটি কাজ করছে।

বাংলাদেশ সময়: ১২:২০:২১   ১৪ বার পঠিত