ওবায়দুল কাদেরের মামলাতে হাদির জবানবন্দি সাক্ষ্য হিসেবে নেওয়ার আবেদন

প্রথম পাতা » আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল » ওবায়দুল কাদেরের মামলাতে হাদির জবানবন্দি সাক্ষ্য হিসেবে নেওয়ার আবেদন
বুধবার, ১৮ ফেব্রুয়ারী ২০২৬



ওবায়দুল কাদেরের মামলাতে হাদির জবানবন্দি সাক্ষ্য হিসেবে নেওয়ার আবেদন

জুলাই-আগস্টে সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরের মামলায় ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক শরিফ ওসমান হাদির জবানবন্দি সাক্ষ্য হিসেবে নেওয়ার আবেদন করেছে প্রসিকিউশন।

বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) প্রসিকিউটর গাজী এমএইচ তামিম জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ এ আবেদন করা হয়েছে।

তিনি বলেন, ওবায়দুল কাদেরের মামলায় সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দিয়েছেন শহীদ শরিফ ওসমান হাদি। তার সেই জবানবন্দি সাক্ষ্য হিসেবে গ্রহণ করতে আবেদন করেছে প্রসিকিউশন। এ নিয়ে ট্রাইব্যুনাল-২ এ শুনানি হওয়া কথা রয়েছে।

এ মামলায় ওবায়দুল কাদেরসহ মোট আসামি সাতজন যুবলীগ-ছাত্রলীগের শীর্ষ পদে রয়েছেন। তবে সবাই পলাতক।

অন্য আসামিরা হলেন— আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক ওয়ালি আসিফ ইনান।

এদিকে, এ মামলায় ১৭ ফেব্রুয়ারি প্রসিকিউশনের সূচনা বক্তব্যের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক বিচারকাজ শুরু হয়। প্রথম সাক্ষী হিসেবে জবানবন্দি দেন শহীদ আসিফ ইকবালের বাবা এমএ রাজ্জাক। তবে শেষ না হওয়ায় তার অবশিষ্ট জবানবন্দি আজ গ্রহণ করার কথা রয়েছে।

গত ২২ জানুয়ারি সাত আসামির বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের মাধ্যমে বিচার শুরুর আদেশ দেন ট্রাইব্যুনাল-২। ১৮ জানুয়ারি আসামিদের বিরুদ্ধে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ গঠনের বিষয়ে শুনানি শেষ করে প্রসিকিউশন ও আসামিপক্ষ। ৮ জানুয়ারি পলাতক আসামিদের পক্ষে দুজন স্টেট ডিফেন্স আইনজীবী নিয়োগ দেয়া হয়। এ ছাড়া গত বছরের ১৮ ডিসেম্বর প্রসিকিউশনের দেওয়া ফরমাল চার্জ বা আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেন আদালত।

প্রসিকিউশনের আনা অভিযোগ-

আসামিরা জুলাই-আগস্টে আন্দোলন দমনে সমন্বিতভাবে নির্দেশ, প্ররোচনা ও উসকানিমূলক বক্তব্য দেন। নেতাকর্মীদের রাজপথে নামিয়ে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে আহ্বান জানানোসহ একাধিক বৈঠকে সহিংসতার পরিকল্পনা করেন। কোথাও কোথাও সশস্ত্র হামলা, কঠোর দমন-পীড়ন ও গণমাধ্যম নিয়ন্ত্রণে ভূমিকা রাখেন। তাদের এসব কর্মকাণ্ডের ফলে দেশজুড়ে হত্যা, হত্যাচেষ্টা ও ব্যাপক সহিংসতা সংঘটিত হয়, যা মানবতাবিরোধী অপরাধ হিসেবে শাস্তিযোগ্য।

বাংলাদেশ সময়: ২০:২৫:৪৩   ২৩ বার পঠিত  




আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল’র আরও খবর


রাজসাক্ষী করতে ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ খতিয়ে দেখা হবে: চিফ প্রসিকিউটর
নিরপরাধ কেউ হয়রানির শিকার হবে না: সদ্য নিয়োগপ্রাপ্ত চিফ প্রসিকিউটর
নতুন সরকার পছন্দের লোককে বসাবে, এটাই স্বাভাবিক : তাজুল ইসলাম
শেখ হাসিনা-কামালের সাজা বৃদ্ধি চেয়ে রাষ্ট্রপক্ষের আপিলের শুনানি আজ
মানবতাবিরোধী অপরাধ জয়-পলকের বিচার শুরু, ২৫ ফেব্রুয়ারি সাক্ষ্যগ্রহণ
আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের বিচার চলমান থাকবে: চিফ প্রসিকিউটর
জুলাই গণহত্যার অন্যতম মাস্টারমাইন্ড জয়-পলক: চিফ প্রসিকিউটর
ওবায়দুল কাদেরের মামলাতে হাদির জবানবন্দি সাক্ষ্য হিসেবে নেওয়ার আবেদন
জিয়াউল আহসান একজন ‘সিরিয়াল কিলার’: সাবেক সেনাপ্রধান ইকবাল
রামপুরায় কার্নিশে ঝুলে থাকা যুবককে গুলির মামলার রায় ৪ মার্চ

Law News24.com News Archive

আর্কাইভ