![]()
অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের দায়িত্ব নেয়ার দেড় বছরে ৬ খাতে সংস্কারের অগ্রগতি ও ঘাটতি নিয়ে গবেষণাকরেছে আন্তর্জাতিক দুর্নীতিবিরোধী সংস্থা ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (টিআইবি)। গবেষণার পর্যবেক্ষণের আলোকে টিআইবি জানিয়েছে, দেড় বছরে আশানুরূপ সংস্কার হয়নি রাষ্ট্রের এবং সংস্কারের নামে গৃহীত উদ্যোগ প্রায় সকল ক্ষেত্রেই বাস্তবে লক্ষ্যভ্রষ্ট ও প্রত্যাশা পূরণে ক্ষেত্রবিশেষে উল্টো। তাছাড়া, নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্তের অংশ হিসেবে নতুন ও পুরনো রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে গণতন্ত্র ও সুশাসন প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে দুর্নীতিমুক্ত, জনগণের কাছে অঙ্গীকারবদ্ধ হওয়ার জন-আকাঙ্ক্ষা থাকলেও এই প্রত্যাশা পূরণের কোনো দৃশ্যমান দৃষ্টান্ত দেখা যায়নি বলেও দাবি সংস্থাটির। সোমবার ঢাকায় টিআইবি কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে ‘কর্তৃত্ববাদ পতন-পরবর্তী দেড় বছরে: প্রত্যাশা ও প্রাপ্তি’ শীর্ষক গবেষণাপত্রটি প্রকাশ করে টিআইবি।
টিআইবি’র পর্যবেক্ষণ অনুযায়ী, অভ্যন্তরীণ ও বাহ্যিক বহুবিধ প্রতিকূলতা সত্ত্বেও অন্তর্বর্তী সময়ে বিচার, সংস্কার, নির্বাচন, রাষ্ট্র পরিচালনা ইত্যাদি ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য উদ্যোগ ও সিদ্ধান্ত গৃহীত এবং রাষ্ট্র সংস্কার, বিচার ও নির্বাচনের অবকাঠামো তৈরি করা হয়েছে। তবে এ অবকাঠামো পর্যাপ্ত শক্তিশালী না হওয়ায় তিনটি ক্ষেত্রেই বিশেষ করে রাষ্ট্র সংস্কারের ভিত্তি যতটুকু মজবুত হতে পারতো ততটুকু হয়নি। রাষ্ট্র সংস্কারের বেশ কয়েকটি মৌলিক বিষয়ে জুলাই সনদে রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে ঐকমত্যে পৌঁছানো একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন হলেও মূলমন্ত্র তথা জবাবদিহিমূলক সরকার প্রতিষ্ঠার অভীষ্টের জন্য অপরিহার্য বিধান সম্পর্কে জুলাই সনদে ঐকমত্যের ক্ষেত্রে বিভিন্ন প্রভাবশালী রাজনৈতিক দলের প্রতিরোধের ফলে সংস্কারের ভিত্তি দুর্বল হয়েছে। পরবর্তীতে অধ্যাদেশ ও সরকারি সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রে প্রতিরোধক মহল, বিশেষ করে আমলাতন্ত্রের প্রভাবশালী মহলের অন্তর্ঘাতমূলক অপশক্তির কাছে সরকারের নতি স্বীকারের ফলে সংস্কার লক্ষ্যভ্রষ্ট হয়েছে। পাশাপাশি, আশু বাস্তবায়নযোগ্য সংস্কারে অগ্রগতি অর্জনে সরকারের ব্যর্থতা এবং জুলাই সনদের আওতার বাইরে সংস্কার কমিশনসমূহের সুপারিশ বাস্তবায়নে কোনো উল্লেখযোগ্য উদ্যোগ ছিল না। তাছাড়া, সংস্কার প্রতিরোধক ঝুঁকি বিশ্লেষণে আগ্রহ না থাকার কারণে প্রতিরোধক শক্তির হাতে আত্মসমর্পণ করতে হয়েছে।
টিআইবি’র নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান বলেন, প্রায় প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যাদেশে জবাবদিহিমূলক সরকার প্রতিষ্ঠায় সহায়ক সুপারিশ উদ্দেশ্যমূলকভাবে বাদ দেয়া হয়েছে। যার অন্যতম কারণ সংস্কারবিমুখ আমলাতন্ত্রের কাছে সরকারের আত্মসমর্পণ। প্রশাসনিক ও প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কারের নামে উচ্চপর্যায়ের কর্মকর্তাদের অপসারণের মাধ্যমে দলীয়করণমুক্ত করার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে কিন্তু প্রকৃত অর্থে একটি দলের একচেটিয়া প্রভাবের পরিবর্তে পতিত সরকারের সুবিধাভোগীদের একাংশ এবং বর্তমানে সক্রিয় দুটি প্রধান রাজনৈতিক দলের আশীর্বাদপুষ্ট- এই ত্রিপক্ষীয় প্রভাব আমলাতন্ত্রে বিরাজ করছে। সার্বিকভাবে সংস্কারের ক্ষেত্রে অন্তর্বর্তী সরকারের সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়াতে অ্যাডহক ও ‘পিক অ্যান্ড চুজ’ প্রবণতা পরিলক্ষিত হয়েছে অন্যদিকে সিদ্ধান্তহীনতা বা সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে দৃঢ়তার অভাব প্রবল। পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় দায়িত্বশীল শক্তিগুলোর মধ্যে সমন্বয়হীনতা দেখা গেছে যার কারণে জনগণের মধ্যে নিরাপত্তাহীনতা সৃষ্টি হয়েছে।
কী আছে গবেষণায়-মোট ৬টি ক্ষেত্রে পর্যবেক্ষণ করেছে টিআইবি। বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন ও তার পূর্বে সংঘটিত অপরাধ ও মানবাধিকার লঙ্ঘনের তদন্ত ও বিচার; রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক পুনর্গঠন ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামো; নির্বাচন সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ ও অংশগ্রহণমূলক নির্বাচন সংক্রান্ত কার্যক্রম; বিভিন্ন খাতে নিয়মিত কার্যক্রম (আর্থিক, শিক্ষা, স্বাস্থ্য, স্থানীয় সরকারব্যবস্থা, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, পরিবেশ, বৈদেশিক কর্মসংস্থান, আন্তর্জাতিক সম্পর্ক); অনিয়ম-দুর্নীতি প্রতিরোধ ও অর্থ পাচার রোধ এবং বিভিন্ন অংশীজনের ভূমিকা তুলে ধরেছে গবেষণায়। গবেষণায় উঠে এসেছে, জুলাই আন্দোলনবে ছাত্র-জনতার হত্যাকারী, হত্যার নির্দেশদাতা ও ইন্ধনদাতাদের বিরুদ্ধে সারা দেশে ১৯শে নভেম্বর ২০২৫ পর্যন্ত দায়েরকৃত মামলা ১ হাজার ৭৮৫টি (হত্যা মামলা ৮৩৭টি); চার্জশিট ১০৬টিতে যার মধ্যে হত্যা মামলা ৩১টি পতিত সরকারের মন্ত্রী ও সংসদ সদস্য ১২৮ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গণ-অভ্যুত্থানে হত্যায় জড়িত থাকার অভিযোগে বিভিন্ন বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ- সারা দেশে পুলিশের বিরুদ্ধে ৭৬১টি মামলায় আসামি ১ হাজার ১৬৮ পুলিশ, ৬১ জন গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের কার্যক্রম অভিযোগ ৪৫০টি ও মামলা ৪৫টি। শেখ হাসিনাসহ ২০৯ জন আসামি করে ৮৪ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের দুটি বেঞ্চে মোট ১২টি মামলা বিচারাধীন, ১০৫ জনের বেশি অভিযুক্ত গবেষণা বলছে, এসব মামলা ও গ্রেপ্তার বাণিজ্যের অভিযোগ পূর্বশত্রুতা, রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে শায়েস্তা করা এবং চাঁদাবাজি ও হয়রানির উদ্দেশ্যে আসামি করা হয়েছে বলে অভিযোগ; আবার মামলা থেকে অব্যাহতি দেয়ার নামে চাঁদাবাজি করা হয়েছে। চাপের মুখে তদন্ত না করে মামলা গ্রহণ, বিচার প্রক্রিয়ায় প্রতিশোধপরায়ণ হয়রানি ও গ্রেপ্তারকৃতরা আদালতে আক্রমণের শিকার। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর, উপস্থিতিতে লাঞ্ছিত, আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে নিয়োগকৃত বিচারক ও কৌঁসুলিদের নিয়োগ নিয়ে বিতর্ক-সমালোচনা। তাদের দক্ষতা, অভিজ্ঞতা ও রাজনৈতিক সংশ্লিষ্টতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের আমলে।
গুমের বিষয় তদন্ত ও ভুক্তভোগীদের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার জন্য গঠিত কমিশনে ১ হাজার ৯১৩টি অভিযোগ দাখিল করেছে। যাচাই-বাছাই শেষে ১ হাজার ৫৬৯টি অভিযোগ সংজ্ঞা অনুযায়ী গুম হিসেবে বিবেচিত, ২৮৭টি অভিযোগ মিসিং অ্যান্ড ডেড’ ক্যাটাগরিতে দায়ের করা হয়েছে। গুমসংক্রান্ত তদন্ত কমিশনের চূড়ান্ত প্রতিবেদন প্রকাশ গুমের ঘটনাগুলোয় র্যাব, পুলিশ, ডিজিএফআইসহ বিভিন্ন গোয়েন্দা সংস্থার নাম উল্লেখ করা হয়েছে। গুম হওয়া ব্যক্তিদের নামে তার পরিবারের কাছে ‘নিখোঁজ সনদ’ প্রদান করার আশ্বাস দেয়া হয়েছে। গুম-নির্যাতনের ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের দু’টি মামলায় এবং জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় হত্যাকাণ্ডের ঘটনায় করা একটি মামলায় ১৫ জন সেনাকর্মকর্তা, আরেকটি মামলায় ১২ জন সেনা কর্মকর্তার বিচার শুরু করেছে সরকার।
গবেষণায় টিআইবি সংস্কার প্রশ্নে রাষ্ট্র সংস্কার, আইনি সংস্কার, নির্বাচন এবং বিভিন্ন খাতে অনিয়ম দুর্নিতির হালচিত্র তুলে ধরে। তাছাড়া খাতভিত্তিক উল্লেখযোগ্য সিদ্ধান্ত ও উদ্যোগের সমালোচনা করেছে। বলছে, সংস্কার কমিশন দুই পর্যায়ে ১১টি বিষয় ও খাতভিত্তিক সংস্কার কমিশন গঠন (প্রথম পর্যায়ে সংবিধান, নির্বাচনব্যবস্থা, বিচার বিভাগ, দুর্নীতি দমন কমিশন, জনপ্রশাসন এবং পুলিশ প্রশাসন। দ্বিতীয় পর্যায়ে গণমাধ্যম, স্বাস্থ্য, নারীবিষয়ক, শ্রম বিষয়ক এবং স্থানীয় সরকার) ও সুনির্দিষ্ট সুপারিশসহ এসব কমিশনের প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে।
আইনি সংস্কারের অগ্রগতি বিষয়ে টিআইবি’র গবেষণা বলছে, অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদে ১১৬টি অধ্যাদেশ প্রণয়ন করা হয়েছে। সংস্কারের লক্ষ্যে গঠিত বিভিন্ন কমিশন/কমিটি কর্তৃক প্রণীত প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে উল্লেখযোগ্য আইনি সংস্কার জুলাই সনদে লিপিবদ্ধ সংবিধান ও অন্যান্য সংস্কারমূলক সুপারিশ বাস্তবায়ন সম্পর্কে গণভোটের আয়োজন এবং বেশ কিছু সংস্কারমূলক অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও নির্বাহী সিদ্ধান্ত, যার কিছু সংশ্লিষ্ট সংস্কার কমিশনপ্রসূত, আর কিছু সরকারের নিজস্ব বিবেচনায় গৃহীত হয়েছে। বিচার বিভাগের স্বাধীনতার পথে স্বাধীন সচিবালয় প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে আইনি সংস্কার অন্তর্বর্তী সরকারের শীর্ষস্থানীয় অর্জনের মধ্যে অন্যতম বলে মনে করছে টিআইবি। সরকারের গুরুত্বপূর্ণ আইনি সংস্কারের মধ্যে রয়েছে, স্থানীয় সরকার (সব পর্যায়ের স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানে দলীয় প্রতীক বরাদ্দের ধারা বাতিল), তথ্য অধিকার (সাইবার নিরাপত্তা আইন বাতিল, তথ্য অধিকার আইনের সংশোধন); বিদ্যুৎ ও জ্বালানি (বিদ্যুৎ ও জ্বালানির দ্রুত সরবরাহ বৃদ্ধি আইন বাতিল, নবায়নযোগ্য জ্বালানি নীতিমালা ২০২৫); বন ও পরিবেশ সংরক্ষণ (বেশ কয়েকটি অধ্যাদেশ প্রণয়ন ও হাইকোর্টের আদেশ ও নির্দেশনা জারি): ব্যাংক রেজ্যুলেশন অধ্যাদেশ জারি; নির্বাচন-সংক্রান্ত আইনি সংস্কার।নির্বাচনে নিরপেক্ষতা নিশ্চিত করতে মাঠ প্রশাসনের জেলা প্রশাসক (ডিসি), পুলিশ সুপার (এসপি) এবং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) পদে ব্যাপক রদবদল; এক সপ্তাহের ব্যবধানে ৫০টি জেলায় নতুন ডিসি পদায়ন, ৪৬ আসনে পরিবর্তন; ১,৮৯৩ আপত্তি/সুপারিশ, ৮৪ আসনে শুনানি; চারটি আসনে আইনি জটিলতায় নির্বাচন স্থগিত হলেও পরবর্তীতে দুইটি আসনে ভোটগ্রহণের সিদ্ধান্ত, ৮১ স্থানীয় সংস্থা নিবন্ধিত ৫৫ হাজার ৪৫৪ জন পর্যবেক্ষক; ৩৩০ জন বিদেশি পর্যবেক্ষক; ইউরোপিয়ান ইউনিয়ন (ইইউ), কমনওয়েলথ, এনডিআই, আইআরআই-এর অংশগ্রহণ করানো হচ্ছে বলে গবেষণায় উঠে এসেছে।
নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার পর ১৫ নেতাকর্মী হত্যাকাণ্ডের শিকারত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিল ঘোষণার ৩৬ দিনের মধ্যে ১৫ রাজনৈতিক নেতাকর্মী নিহত হয়েছেন। টিআইবি জানিয়েছে, নির্বাচন ঘিরে সহিংসতা, রাজনৈতিক নেতাকর্মীর হেনস্তা ও মৃত্যু এবং সম্ভাব্য প্রার্থীরা হামলার শিকার হয়েছেন। তফসিল ঘোষণার পর ৩৬ দিনে সারা দেশে অন্তত ১৫ জন রাজনৈতিক নেতাকর্মী হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়েছেন। ২০২৫ সালে ৪০১ রাজনৈতিক সহিংসতা, ১০২ নিহত, ১৩৩৩ অস্ত্র নিখোঁজ, ডিপফেক ও ভুল তথ্যের বাড়তি হুমকি, সংখ্যালঘুদের ওপর ৫০-এর বেশি হামলার ফলে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে। গবেষণায় আরও উঠে এসেছে, থানা থেকে লুট হওয়া বিপুল পরিমাণ অস্ত্র উদ্ধার না হওয়া এবং নতুন করে রাজনৈতিক ব্যক্তিদের অস্ত্রের লাইসেন্স দেয়ার উদ্যোগ নেয়ায় সহিংসতার ঝুঁকি বেড়ে যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। তাছাড়া, নির্বাচনে দায়িত্ব পালনকারী মোট জনবলের মাত্র ৯ থেকে ১০ শতাংশ পুলিশ সদস্যÑ যা সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিতের ক্ষেত্রে বড় ঘাটতি।
গবেষণা বলছে, নির্বাচনে মাঠ প্রশাসনের কর্মকর্তা, বিশেষ করে গত তিনটি নির্বাচনে দায়িত্ব পালনকারী কর্মকর্তাদের বাদ দেয়া, উপদেষ্টাদের দলীয়করণ এবং নিরপেক্ষতা বজায় রাখা নিয়ে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে সংশয় ও মতবিরোধসহ জামায়াত, এনসিপি এবং ইসলামী আন্দোলনের মতো দলগুলোর পক্ষ থেকে লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে। পাশাপাশি, ৪৬টি আসনের সীমানা পুনর্নির্ধারণ নিয়ে অসন্তোষ উচ্চ আদালতে অন্তত ২৭টি রিট আবেদন দাখিল, ১২৫৩১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোটকেন্দ্র হিসেবে ব্যবহারের অনুপযোগী থাকাসহ বিভিন্ন নেতিবাচক দিক উঠে এসেছে টিআইবি’র গবেষণায়। ইসি কর্তৃক প্রাথমিকভাবে বাছাই করা ৭৩টি পর্যবেক্ষক সংস্থার অনেকগুলোই ‘নামসর্বস্ব’ বা সক্ষমতাহীন বলে অভিযোগ এসেছে।
বাংলাদেশ সময়: ৯:৫৯:৪৮ ৬০ বার পঠিত