সৌদি আরবে দুই বাংলাদেশি নাগরিকের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের খবর প্রকাশের পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বেশ কিছু বিভ্রান্তিকর ভিডিও ও তথ্য ছড়িয়ে পড়েছে। এর মধ্যে একটি ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতিতে এক নারীকে তলোয়ার দিয়ে শিরশ্ছেদ করা হচ্ছে। যাচাই করে দেখা গেছে, এটি ২০১৫ সালে সৌদি আরবে এক নারীর মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের পুরোনো ভিডিও। ওই নারী মিয়ানমারের নাগরিক লায়লা বিনতে আবদুল মুত্তালিব বাসিম ছিলেন, যাকে সৎকন্যাকে হত্যার দায়ে মৃত্যুদণ্ড দেওয়া হয়েছিল।
সৌদি আরবের সরকারি সংবাদ সংস্থা ও দেশটির স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বরাতে প্রতিবেদনগুলোতে বলা হয়, শিরশ্ছেদ করা ওই নারীর নাম লায়লা বিনতে আবদুল মুত্তালিব বাসিম। তিনি মিয়ানমারের নাগরিক ছিলেন ও সৌদি আরবে বসবাস করতেন।
এছাড়া, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে বিমানবন্দরে কফিন বহন করার একটি ভিডিও ছড়িয়ে দাবি করা হচ্ছে যে, মৃত্যুদণ্ড কার্যকর হওয়া দুই বাংলাদেশির মরদেহ দেশে আনা হয়েছে। তবে হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের প্রবাসী কল্যাণ ডেস্কের তথ্য অনুযায়ী, তাঁদের মরদেহ এখনো দেশে পৌঁছায়নি। ছড়িয়ে পড়া কফিনের ভিডিওটি মূলত সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত প্রবাসী মুরাদ শেখের মরদেহ দেশে আনার সময়ের। পাশাপাশি, মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত দুই ব্যক্তি স্বামী-স্ত্রী ছিলেন এবং ওমরাহ করতে গিয়ে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন—এমন দাবিও ভিত্তিহীন বলে প্রমাণিত হয়েছে। নজরুলের পরিবারের ভাষ্যমতে, তিনি অবিবাহিত ছিলেন এবং মক্কার হারাম শরিফে পরিচ্ছন্নতাকর্মী হিসেবে কাজ করতেন।
বাংলাদেশ সময়: ১৫:১৮:২৬ ২২ বার পঠিত #গুজব #প্রবাসী #ফ্যাক্ট চেক #বাংলাদেশ #মৃত্যুদণ্ড #সৌদি আরব