কক্সবাজারের উখিয়ার পাটুয়ারটেক সৈকতের টুপটুপ রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডে ১০ পর্যটকের মৃত্যুর পর মেরিন ড্রাইভ এলাকার রিসোর্ট ও কটেজগুলোতে পর্যটকদের উপস্থিতি কমেছে। বাঁশ ও কাঠের তৈরি স্থাপনার নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগের কারণে অনেক পর্যটক মেরিন ড্রাইভের পরিবর্তে শহরের হোটেল ও গেস্টহাউসগুলোতে অবস্থান নিচ্ছেন। কক্সবাজার মেরিন ড্রাইভ হোটেল-রিসোর্ট মালিক সমিতির সাধারণ সম্পাদক মুকিম খান জানান, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার পর মেরিন ড্রাইভ এলাকার ৮০টির বেশি রিসোর্ট ও কটেজের প্রায় ৮০ শতাংশ কক্ষ খালি পড়ে আছে।
অগ্নিকাণ্ডে ১০ পর্যটকের মৃত্যুর ঘটনায় মেরিন ড্রাইভ এলাকার ৮০টির বেশি রিসোর্ট-কটেজের প্রায় ৮০ শতাংশ কক্ষ খালি পড়ে আছে। অন্যদিকে শহরের হোটেল-গেস্টহাউসে পর্যটকের চাপ বেড়েছে।
১৭ অক্টোবর সকালে টুপটুপ রিসোর্টে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ১০ জনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় অবহেলাজনিত মৃত্যুর অভিযোগে ২৩ জনের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে এবং জাহিদ হোসেন নামের এক আসামিকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। এদিকে, দুর্গাপূজা ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের টানা ছুটিতে কক্সবাজারে পর্যটকদের ব্যাপক সমাগম হয়েছে। হোটেল মালিকদের তথ্যমতে, ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত ১০ দিনে অন্তত ১০ লাখ পর্যটকের সমাগম হতে পারে এবং পর্যটন খাতে ৯০০ থেকে ১ হাজার কোটি টাকার ব্যবসার আশা করা হচ্ছে। শহরের হোটেল ও গেস্টহাউসগুলোতে ৯০ হাজারের বেশি পর্যটক অবস্থান করছেন এবং তারকা মানের হোটেলগুলোতে প্রায় ৯৫ শতাংশ কক্ষ বুকিং হয়েছে। জেলা প্রশাসন ও পুলিশ জানিয়েছে, পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং প্রতিমা বিসর্জন উৎসব শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে সর্বোচ্চ প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে।
বাংলাদেশ সময়: ১০:৩২:০৬ ২২ বার পঠিত #অগ্নিকাণ্ড #কক্সবাজার #কক্সবাজার জেলা প্রশাসন #দুর্গাপূজা #নিরাপত্তা #পর্যটন #রিসোর্ট