কুমিল্লা নগরের বিভিন্ন এলাকায় কিশোর গ্যাংবিরোধী ধারাবাহিক অভিযানের এক মাস পূর্ণ হয়েছে। গত ১৮ সেপ্টেম্বর কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগী অধ্যাপক নাহিদা বেগমের ছেলে ইশায়াত শাহরিয়ার অপ্রতিম হত্যার পর ২৩ সেপ্টেম্বর থেকে জেলার ১৮টি থানায় একযোগে এই অভিযান শুরু হয়। গত বৃহস্পতিবার পর্যন্ত এক মাসের অভিযানে তিন হাজার ৪১২ জনকে আটক করা হয়েছে। এর মধ্যে দুই হাজার ৩৮৬ জনের কাছ থেকে মুচলেকা নিয়ে পরিবারের জিম্মায় ছেড়ে দেওয়া হয়েছে এবং এক হাজার ২৬ জনের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। অভিযানে ‘আর স্কোয়াড’ বা ‘রতন গ্রুপের’ প্রধান ইমরান হোসেন ওরফে রতনসহ বেশ কয়েকজন গ্যাং নেতা গ্রেপ্তার হয়েছেন।
অভিযানের ফলে টাউন হল মাঠ, কেন্দ্রীয় ঈদগাহ মাঠ ও রেলস্টেশনসহ নগরের বিভিন্ন স্থানে কিশোর-তরুণদের জটলা, প্রকাশ্যে মাদকসেবন এবং সাইলেন্সারবিহীন মোটরসাইকেলের বিকট শব্দ অনেকটাই কমেছে। স্থানীয় বাসিন্দা ও ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, রাতে চলাচলে এখন আগের মতো ভয় কাজ করে না।
কুমিল্লার পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামান জানান, কিশোর গ্যাংয়ের ব্যাপারে কোনো ছাড় দেওয়া হচ্ছে না এবং অভিযান নিয়মিত কার্যক্রমের অংশ হিসেবে অব্যাহত থাকবে। তবে সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা অপরাধ দমনে ধারাবাহিকতা বজায় রাখার পাশাপাশি গ্যাংগুলোর নেপথ্যে থাকা পৃষ্ঠপোষকদের আইনের আওতায় আনার ওপর গুরুত্বারোপ করেছেন।
বাংলাদেশ সময়: ৮:০৬:৫৬ ৭ বার পঠিত #অপরাধ দমন #আইনশৃঙ্খলা #কিশোর গ্যাং #কুমিল্লা #পুলিশ অভিযান