রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার মো. আলী হাসান সোহেলসহ ৩০ জন নির্মাণশ্রমিক গত ৭ মে রাশিয়ায় যান। তাঁদের পরিবার জানিয়েছে, প্রতিশ্রুত চাকরি না দিয়ে প্রতারণার মাধ্যমে তাঁদের রাশিয়ার হয়ে যুদ্ধে পাঠানো হয়েছে। বর্তমানে আলী হাসান রাশিয়ার পেনজা শহরের একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। তিনি জানান, পাঁচ দিনের প্রশিক্ষণ শেষে তাঁদের যুদ্ধক্ষেত্রে পাঠানো হয়।
আলী হাসান আরও বলেন, একপর্যায়ে হাতে অস্ত্র দিয়ে, সেনাবাহিনীর পোশাক পরিয়ে একজন করে পাঠানো হয় সামনের দিকে। ১৬ জনের দল থেকে ১৪ জন নিখোঁজ এখন, আর বাকি ২ জন হাসপাতালে ভর্তি।
আলী হাসান আরও বলেন, যুদ্ধে যেতে রাজি না হলে বন্দী করে মারধর ও শাস্তি দেওয়া হয়। তাঁদের বলা হয়, যুদ্ধ করতে হবে না, শুধু সামনে-পিছে থাকতে হবে। কিন্তু এটি একটি মরণফাঁদ, যেখানে ইউক্রেনের ড্রোন হামলায় অনেকে হতাহত হচ্ছেন। এখন পর্যন্ত অন্তত ২০ জনের মৃত্যুর তথ্য পাওয়া গেছে। আহত পলাশ শেখসহ অন্য ভুক্তভোগীদের পরিবার তাঁদের উদ্ধার ও আর্থিক সহায়তার জন্য প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেছে। অভিবাসন বিশেষজ্ঞ তাসনিম সিদ্দিকী বলেন, বাংলাদেশ দূতাবাসকে রাশিয়ার সরকারের সঙ্গে যোগাযোগ করে আহতদের চিকিৎসা খরচ ও ক্ষতিপূরণ আদায় এবং তাঁদের দেশে ফিরিয়ে আনার ব্যবস্থা করতে হবে।
বাংলাদেশ সময়: ৯:২৫:৩৭ ৬ বার পঠিত #দূতাবাস #প্রতারণা #প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয় #বাংলাদেশি শ্রমিক #রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ