হামের প্রাদুর্ভাব মোকাবিলায় ছয় মাস থেকে নয় বছর বয়সী টিকা না পাওয়া শিশুদের অগ্রাধিকার ভিত্তিতে টিকা দেওয়ার সুপারিশ করেছে যৌথ স্বাধীন মূল্যায়ন দল। সংক্রমণ বেশি এবং টিকা না পাওয়া শিশুর সংখ্যা বেশি এমন জেলাগুলোকে অগ্রাধিকার দিয়ে আগামী দুই সপ্তাহের মধ্যে এই কার্যক্রম বাস্তবায়নের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা, ইউনিসেফ এবং দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞদের নিয়ে গঠিত ৭০ সদস্যের এই মূল্যায়ন দল জানিয়েছে, টিকাদানের ব্যর্থতা, টিকার মজুত ফুরিয়ে যাওয়া এবং নিয়মিত টিকাদান থেকে শিশুদের বাদ পড়ার কারণে হামের প্রাদুর্ভাব বেড়েছে। বিশেষজ্ঞরা নিয়মিত টিকাদানের বয়সসীমা পাঁচ বছর পর্যন্ত বাড়ানোর এবং পরবর্তী হাম-রুবেলা ক্যাম্পেইনের পরিকল্পনা সময়মতো করার ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন। এছাড়া সন্দেহভাজন সব রোগীর তথ্য সঠিকভাবে লিপিবদ্ধ করা এবং প্রতিটি হাসপাতালে সংক্রমণ প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণের চর্চা নিশ্চিত করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, গত ১৫ মার্চ থেকে হাম ও হামের উপসর্গ নিয়ে ২ লাখ ৩৬ হাজার ৩৬৬ জন রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছে এবং ১ হাজার ১৯৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। জনস্বাস্থ্যবিদ মুশতাক হোসেনের মতে, হাম মোকাবিলায় কমিউনিটির সম্পৃক্ততা বাড়ানো এবং দরিদ্র জনগোষ্ঠীর জন্য আর্থিক ও চিকিৎসা সহায়তা নিশ্চিত করা জরুরি।
বাংলাদেশ সময়: ৮:১৮:৫৩ ৯ বার পঠিত #ইপিআই #জনস্বাস্থ্য #টিকাদান #বাংলাদেশ #স্বাস্থ্য অধিদপ্তর #হাম