বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬

দুর্নীতির মামলায় সাবেক আইজিপি বেনজীরের বিরুদ্ধে ১৫ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ

প্রথম পাতা » জেলা জজ কোর্ট » দুর্নীতির মামলায় সাবেক আইজিপি বেনজীরের বিরুদ্ধে ১৫ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ
বৃহস্পতিবার, ১৬ জুলাই ২০২৬



দুর্নীতির মামলায় সাবেক আইজিপি বেনজীরের বিরুদ্ধে ১৫ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ

অবৈধ সম্পদ অর্জনের মামলায় পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে আরো এক সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ করেছেন আদালত। এ নিয়ে মামলায় ২৮ জন সাক্ষীর মধ্যে ১৫ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ সম্পন্ন হলো।

এর আগে গত ১ জুলাই ১৪ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়।

বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫-এর বিচারক আব্দুল্লাহ আল মামুনের আদালতে বিটিএমসি বস্ত্র অধিদপ্তরের (কারিগরি) সহকারী পরিচালক মো. ফয়সাল কবির সাক্ষ্য দেন। তবে আসামি পলাতক থাকায় তার পক্ষে সাক্ষীকে জেরা করা সম্ভব হয়নি। সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে আদালত পরবর্তী শুনানির জন্য আগামী ১৭ আগস্ট দিন ধার্য করেন।

দুদকের পক্ষে আইনজীবী মীর আহমেদ আলী সালাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

এর আগে গত ৮ মার্চ আদালত মামলার অভিযোগপত্র আমলে নিয়ে বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেন। পরে গত ৩ মে একই আদালত তার বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করে বিচার শুরুর আদেশ দেন।

২০২৪ সালের ১৫ ডিসেম্বর দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) উপপরিচালক হাফিজুল ইসলাম বাদী হয়ে বেনজীর আহমেদের বিরুদ্ধে মামলাটি দায়ের করেন।

তদন্ত শেষে গত বছরের ৩০ নভেম্বর তিনি জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন, সম্পদের তথ্য গোপন এবং মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগে আদালতে অভিযোগপত্র দাখিল করেন।

অভিযোগপত্রে বলা হয়, বেনজীর আহমেদ তার দাখিল করা সম্পদ বিবরণীতে ৬ কোটি ৪৫ লাখ ৩৭ হাজার ৩৬৫ টাকার স্থাবর এবং ৫ কোটি ৭৪ লাখ ৮৯ হাজার ৯৬৬ টাকার অস্থাবর সম্পদের ঘোষণা দেন। কিন্তু তদন্তে তার নামে ৭ কোটি ৫২ লাখ ৬৮ হাজার ৯৮৭ টাকার স্থাবর এবং ৮ কোটি ১৫ লাখ ৩১ হাজার ২৬৪ টাকার অস্থাবর সম্পদের প্রমাণ পাওয়া যায়। এতে তার মোট ১৫ কোটি ৬৮ লাখ টাকার সম্পদের তথ্য উঠে আসে।

অভিযোগপত্রে আরো বলা হয়, বেনজীর আহমেদের বৈধ আয়ের উৎস হিসেবে ৬ কোটি ৫৯ লাখ ৪২ হাজার ৬৬৮ টাকার তথ্য পাওয়া গেছে।

ব্যয় বাদে তার নিট সঞ্চয় দাঁড়ায় ৪ কোটি ৬৩ লাখ ৫৬ হাজার ৬৭৫ টাকা। ফলে তিনি জ্ঞাত আয়বহির্ভূত ১১ কোটি ৪ লাখ ৪৩ হাজার ৫৭৬ টাকার সম্পদ অর্জন করেছেন বলে তদন্তে উল্লেখ করা হয়েছে। অভিযোগে আরো বলা হয়, এসব অর্থের অবৈধ উৎস, প্রকৃতি ও মালিকানা গোপন করে তিনি বিভিন্ন ব্যাংক হিসাব, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও যৌথ মূলধনী প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ, স্থানান্তর ও রূপান্তর করেছেন।

বাংলাদেশ সময়: ২৩:১০:৩৯   ১৬ বার পঠিত