![]()
চব্বিশের গণআন্দোলনের সময় চট্টগ্রামে ছাত্রদল নেতা ওয়াসিমসহ ছয়জনকে হত্যার ঘটনায় মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় সাবেক পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাছান মাহমুদ, সাবেক শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলসহ ১৮ জনের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।
এ মামলার ২২ আসামির বিরুদ্ধে ‘আনুষ্ঠানিক অভিযোগ’ আমলে নিয়ে বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২ মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) এই আদেশ দেন। পরোয়নাভুক্ত বাকি আসামিরা হলেন- চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের সাবেক মেয়র আ জ ম নাসির উদ্দীন, রেজাউল করিম, মহিউদ্দিন বাচ্চু, হেলাল আকবর, নুরুল আজিম রনি, শৈবাল দাশ সুমন, আবু ছালেক, এসবারুল হক, এইচএম মিঠু, নূর মোস্তফা টিনু, দেবাশীষ পাল দেবু, জমির উদ্দিন, ইমরান হাসান মাহমুদ, জাকারিয়া দস্তগীর, মহিউদ্দিন ফরহাদ ও সুমন দে।
সাবেক সংসদ সদস্য এ বি এম ফজলে করিম চৌধুরীসহ এই মামলার চার আসামি গ্রেপ্তার আছেন।
বাকি তিনজন হলেন- যুবলীগ নেতা আজিজুর রহমান, তৌহিদুল ইসলাম ও মো. ফিরোজ।
মঙ্গলবার ট্রাইব্যুনালে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ উপস্থাপন করেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। শুনানিতে তিনি বলেন, এ মামলার আনুষ্ঠানিক অভিযোগে আসামিদের বিরুদ্ধে তিনটি অভিযোগ আনা হয়েছে। প্রথম অভিযোগে ২০২৪ সালের ১৬ জুলাই চট্টগ্রামে ওয়াসিম আকরাম, ফয়সাল আহমেদ এবং মো. ফারুককে হত্যা করার কথা উল্লেখ আছে।
দ্বিতীয় অভিযোগে ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই তানভীর সিদ্দিকী, মো. সাইমন ও হৃদয় চন্দ্রকে হত্যা এবং তৃতীয় অভিযোগে শতাধিক মানুষকে গুরুতর আহত করার কথা উল্লেখ আছে। এরপর ট্রাইব্যুনাল অভিযোগটি আমলে নিয়ে আসামিদের গ্রেপ্তারে পরোয়ানা জারি করেন।
গত ২ এপ্রিল আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের তদন্ত সংস্থা চিফ প্রসিকিউটর কার্যালয়ে এই মামলার তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করে। যাচাই-বাছাইয়ের পর গত ৫ এপ্রিল ‘আনুষ্ঠানিক অভিযোগ’ আকারে তা ট্রাইব্যুনালে দাখিল করা হয়।
সেই ধারাবাহিকতায় তা উপস্থাপন করা হলে আনুষ্ঠানিক অভিযোগ আমলে নেন ট্রাইব্যুনাল।
বাংলাদেশ সময়: ০:৪৩:২৩ ১১ বার পঠিত