রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬

সরকারি সম্পত্তি আত্মসাৎ সালাম মুর্শেদীসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে চার্জগঠন পেছালো

প্রথম পাতা » জেলা জজ কোর্ট » সরকারি সম্পত্তি আত্মসাৎ সালাম মুর্শেদীসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে চার্জগঠন পেছালো
রবিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৬



সালাম মুর্শেদীসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে চার্জগঠন পেছালো

রাজধানীর গুলশান-২ এলাকায় ২৭ কাঠা সরকারি সম্পত্তি আত্মসাতের অভিযোগে করা মামলায় সাবেক সংসদ সদস্য (এমপি) আব্দুস সালাম মুর্শেদীসহ ১৩ জনের বিরুদ্ধে চার্জগঠন শুনানির তারিখ আগামী ২০ মে নির্ধারণ করেছেন আদালত।

রোববার (৫ এপ্রিল) ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৯ এর বিচারক মো. আব্দুস সালামের আদালতে মামলাটির চার্জগঠন বিষয়ে শুনানির জন্য দিন ধার্য ছিলো। এ জন্য কারাগারে থাকা সালাম মুর্শেদীসহ অন্যান্য আসামিদের কারাগার থেকে আদালতে হাজির করা হয়। জামিনে থাকা অন্যান্য আসামিরা আদালতে হাজিরা দেন।

সালাম মুর্শেদীর পক্ষের আইনজীবী এহসানুল হক সমাজী মামলা থেকে অব্যাহতি চেয়ে শুনানি করেন। একই সঙ্গে জামিনের আবেদন করে এই আইনজীবী।

শুনানি শেষে আদালত আসামির জামিনের আবেদন নামঞ্জুর করে অন্যান্য আসামিদের চার্জগঠন বিষয়ে শুনানির জন্য আগামী ২০ মে ধার্য করেন।

সংশ্লিষ্ট আদালতের পাবলিক প্রসিকিউটর খন্দকার শামীম হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, এই মামলায় ১৩ জন আসামির মধ্যে আজিজুল হক ও সালাম মুর্শেদীর পক্ষে তাদের আইনজীবীরা অব্যাহতি চেয়ে শুনানি করেন। তাদের শুনানি শেষে আদালত আগামী ২০ মে পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করেছেন।

মামলার অন্যান্য আসামিরা হলেন- রাজউকের সাবেক চেয়ারম্যান হুমায়ুন খাদেম, প্রকৌশলী এম আজিজুল হক, সাবেক সদস্য (এস্টেট) লে. কর্নেল (অব.) এম নুরুল হক, সাবেক পরিচালক আবদুর রহমান ভূঁঞা, সাবেক উপপরিচালক (এস্টেট) মো. আজহারুল ইসলাম, সাবেক তত্ত্বাবধায়ক মো. হাবিব উল্লাহ, গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের সাবেক সহকারী সচিব আবদুস সোবহান, সাবেক শাখা সহকারী মো. মাহবুবুল হক এবং কক্সবাজারের রামুর বাসিন্দা মীর মোহাম্মদ হাসান ও তার ভাই মীর মো. নুরুল আফছার।

মামলার অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, আসামিরা পরস্পর যোগসাজশে সরকারি কর্মচারী হিসেবে ক্ষমতার অপব্যবহার করেছেন এবং অসৎ উদ্দেশ্যে গৃহায়ন ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয় কর্তৃক প্রকাশিত গেজেটে ‘খ’ তালিকাভুক্ত গুলশান আবাসিক এলাকার সিইএন (ডি) ২৭ নং, হোল্ডিং নং-২৯, রোড নং-১০৪ প্লটটি পরিত্যক্ত ২৭ কাঠা সম্পত্তির তালিকাভুক্ত থাকা সত্ত্বেও অবমুক্তকরণ ছাড়াই জাল-জালিয়াতির মাধ্যমে মিথ্যা রেকর্ড তৈরি করেন। পরে হস্তান্তর অনুমতি ও নামজারি অনুমোদন করার মাধ্যমে সরকারি সম্পত্তি আত্মসাতের সুযোগ তৈরি করায় তাদের বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪২০, ৪৬৭, ৪৬৮, ৪৭১ ও ১০৯ ধারাসহ ১৯৪৭ সালের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় মামলাটি দায়ের করা হয়।

উল্লেখ্য, ২০২৪ সালের ১ অক্টোবর সালাম মুর্শেদীকে গ্রেফতার করা হয়। এরপর থেকে তিনি কারাগারে রয়েছেন।

বাংলাদেশ সময়: ২৩:৪৪:২১   ১০৫ বার পঠিত